দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

শেষ ২৪ ঘণ্টায় মাত্র আটজন করোনা আক্রান্ত ! স্বস্তি পূর্ব বর্ধমানে !

শেষ ২৪ ঘণ্টায় মাত্র আটজন করোনা আক্রান্ত ! স্বস্তি পূর্ব বর্ধমানে !

মাত্র আট জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। যা বেশ স্বস্তিদায়ক।

  • Share this:

#বর্ধমান: অবশেষে পূর্ব বর্ধমান জেলায় দুই অংকের নিচে নেমে গেল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় আট জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এক মাস আগেও প্রতিদিন গড়ে একশোর কাছাকাছি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হচ্ছিলেন। ফলে উদ্বেগ বাড়ছিল জেলার সদর শহর বর্ধমানের বাসিন্দাদের। কিন্তু গত এক পক্ষের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ক্রমশই কমছে সংক্রমণের হার। দীর্ঘ বেশ কয়েক মাস পর এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট স্বস্তি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। তবে সংক্রমণের হার কমলেও এখনও যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় গত চব্বিশ ঘন্টায় আট জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন পূর্বস্থলী এক নম্বর ব্লকের বাসিন্দা কেতুগ্রাম এক নম্বর ব্লকে একজন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এছাড়া বর্ধমান পৌরসভা এলাকায় নতুন করে দুজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে সাত জনের কোনও উপসর্গ ছিল না বলে জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার জেলায় ২৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। রবিবারও জেলায় ২৬ জন করোনা আক্রান্ত হন। ২ জানুয়ারি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৭জন। পয়লা জানুয়ারি আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৯ জন।

এদিন পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১১ হাজার ৮৩২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ হাজার ৪৩২ জন চিকিৎসার পর ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ১৮৫ জন করোনা অ্যাক্টিভ রয়েছেন। বর্ধমানের করোনা হাসপাতালে ভর্তি রেখে তাদের চিকিৎসা চালানো হচ্ছে। উপসর্গ না থাকা কয়েকজন বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ দিন পর্যন্ত এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই বর্ধমান শহর এলাকার বাসিন্দা।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গেছে গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় ৮৪৬ জনের অ্যান্টিজেন টেস্ট ও ৫০০ জনের নমুনা আর টিপিসিআর যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে মাত্র আট জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। যা বেশ স্বস্তিদায়ক।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার সংক্রমণ অনেকটাই কমে গেলেও এখনও বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক বা ফেস কভারে মুখ ঢাকতে হবে। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়াই শ্রেয়। বাজারে বা জনবহুল এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে সমান সচেতন থাকতে হবে। সেইসঙ্গে বারে বারে স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করতে হবে। সব মিলিয়ে একইরকমভাবে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন। কারণ, বিভিন্ন রোগে আক্রান্তদের দেহে সহজে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সচেতন ও সতর্ক থেকে জীবন যাপন করা প্রয়োজন।

Saradindu Ghosh

Published by: Piya Banerjee
First published: January 5, 2021, 9:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर