Home /News /south-bengal /

Girl try to kill her boyfriend: রাস্তায় একা পেয়ে প্রেমিককে জাপ্টে ধরে চুমু, বিয়ের প্রস্তাব না মানায় মুহূর্ত পরে গুলি প্রেমিকার

Girl try to kill her boyfriend: রাস্তায় একা পেয়ে প্রেমিককে জাপ্টে ধরে চুমু, বিয়ের প্রস্তাব না মানায় মুহূর্ত পরে গুলি প্রেমিকার

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

Crime In Bardhaman: গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে লালচাঁদের পেট ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় দু'জনেই যে, যে দিকে পেরেছিলেন, পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে লালচাঁদের দাবি।

  • Share this:

#বর্ধমান: 'হয় তোমায় পাব, না হলে ...' যেন সিনেমার সাবধানবানী। যেন উপন্যাসের ক্লাইম্যাক্স। পূর্ব বর্ধমানের (East Bardhaman) কাটোয়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল বৃহস্পতিবার। মেয়ের নাম মনীষা খাতুন। তাঁর দীর্ঘ দিনের প্রেম লালচাঁদ শেখের সঙ্গে। সেই প্রেমিককেই প্রথমে এক গাঢ় চুম্বনে আবদ্ধ করে, পরমুহূর্তেই গুলি করে মারার চেষ্টা করলেন প্রেমিকা মনীষা। ঘটনায় হতভম্ভ এলাকার মানুষ।

লালচাঁদের পরিবার সূত্রে খবর, এলাকার একটি আধো-অন্ধকার গলির মধ্যে লালচাঁদকে ডেকে নিয়ে যান প্রেমিকা মনীষা। কাছে টেনে নেন। চুমু এঁকে দেন গালে। তার পরেই বিবাহের প্রস্তাব দেন তিনি। কিন্তু সেই প্রস্তাব মানতে চাননি প্রেমিক লালচাঁদ। তার পরেই রিভলবার বার করেন মণীষা। সটান গুলি করে দেন প্রেমিককে। যদিও গুলির আঘাত ততটা গুরুতর না হওয়ায় এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন লালচাঁদ।

প্রেমিকা মনীষার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, লালচাঁদ তাঁদের বাড়ির  মেয়েকে  রাতে রাস্তায় একা পেয়ে জোর করে টানাটানি করছিল। মেয়ে রাজি না  হওয়ায় প্রেমিক লালচাঁদ  গুলি চালিয়েছে। ঘটনার পর থেকে  মনীষা খাতুনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কাটোয়া শহরের  বাগানেপাড়ার বাসিন্দা মনীষা খাতুন। তিনি পেশায় নৃত্যশিল্পী। কাটোয়ার কেশিয়া দরগাতলার বাসিন্দা পেশায় রঙ মিস্ত্রি  লালচাঁদ শেখের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বছর খানেক তাঁদের  সম্পর্কে অবনতি হয়। বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ  মনীষা ফোন করেন প্রেমিক লালচাঁদকে। শহরের সার্কাস ময়দান এলাকায় একটি মলের পাশের গলিতে দেখা করার প্রস্তাব দেন। মনীষার ফোন পেয়ে সেখানে যান লালচাঁদ। এর পরই যা ঘটল তা হিন্দি সিনেমাকেও হার মানায়।

আরও পড়ুন: পরিবারের অমতে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা দিদির মাথা কেটে প্রতিবেশীদের দেখালো ভাই

লালচাঁদ শেখের দাবি, "ওখানে গিয়ে সিগারেট কিনি। এর পর দুজনে কথা বলা শুরু হয়। মনীষা বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে চুমু খায়। কিন্তু সেই প্রস্তাব মানা সম্ভব নয় বলে আমি জানিয়ে দিই। এরপরই মনীষা ওড়নার ভেতর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আগ্নেয়াস্ত্র দেখে ব্যাপারটা বুঝতে পেরে মনীষাকে ঠেলে দিয়ে আমি  হাত ছাড়িয়ে দৌড় দিই।"

আরও পড়ুন: পুরভোট সামলাতে পারবে কলকাতা পুলিশই, বললেন কমিশনার

গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে লালচাঁদের পেট ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় দু'জনেই যে, যে দিকে পেরেছিলেন, পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে লালচাঁদের দাবি।  লালচাঁদ শেখের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে।  মনীষার কাকা আলি হোসেন সেখ দাবি করেন, "আমাদের মেয়েকে লালচাঁদ রাস্তায় একা পেয়ে জোর করে টানাটানি  করছিল  তখন আমাদের মেয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় লালচাঁদ গুলি চালায়। লালচাঁদ খারাপ ছেলে। আমরা ওকে  চিনি। তাই ওর সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেব না বলে জানিয়ে দিয়েছিলাম। সেই আক্রোশেই লালচাঁদ এই কাজ করেছে।"

বুধবার সারা রাত খুঁজেও মনীষার হদিশ পায়নি পুলিশ। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে মনীষাকে কাটোয়া বাসস্ট্যাণ্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন দেখে তার হদিশ পাওয়া সম্ভব হয়। তাকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। পুলিশের দাবি ওয়ান শাটার পাইপ গান থেকে গুলি করেছিল বলে  জেরায় জানিয়েছে মনীষা খাতুন।

Saradindu Ghosh

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Crime

পরবর্তী খবর