corona virus btn
corona virus btn
Loading

ডায়মন্ড হারবারে অবাধে চলছে বালি চুরি, সব জেনেও ‘চুপ’ প্রশাসন

ডায়মন্ড হারবারে অবাধে চলছে বালি চুরি, সব জেনেও ‘চুপ’ প্রশাসন

নদী গর্ভ থেকে চুরি হচ্ছে বালি। স্বাভাবিক গতিপথ বিঘ্নিত হচ্ছে।প্রশাসন যদি পদক্ষেপ না নেয়,তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ডায়মন্ড হারবার শহর ন

  • Share this:

#ডায়মন্ড হারবার:  নদীগর্ভ থেকে বালি তুলে ট্রাকে করে পাচারের অভিযোগ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায়৷  সেচ ও ভূমি-রাজস্ব দফতরকে জানালেও নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বাসিন্দাদের৷

ডায়মন্ড হারবারের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে হুগলি নদীর কিছু অংশ৷ সেখানেই নদীগর্ভে বিশাল চর তৈরি হয়েছে৷ এই চর আজ থেকে নয়, অনেকদিনের৷ অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার থেকে হুগলি নদী বরাবর রায়চক পর্যন্ত, প্রায় ১৫-২০ হাজার মানুষ বালি পাচারে যুক্ত।   ভাটার সময় নদী গর্ভে চর জেগে ওঠে। তখনই প্রচুর মানুষ নৌকায় গিয়ে ওই চর থেকে বালি কেটে নিয়ে আসে। বালি নিয়ে আসার পর নদীর পাড়ে জড়ো করা হয়৷ অভিযোগ, এরপর ঠিকাদাররা ওই বালি কিনে নিয়ে যায়৷ নৌকার মাপমত বালি আনা হয়৷ ১০০ ঘনফুট বালির দাম ৫০০ টাকা। নৌকার আকার অনুযায়ী ৩০০থেকে ৬০০ ঘন ফুট পর্যন্ত বালি আসে। যে শ্রমিকরা এই বালি কাটতে যান, বা পাড় অবধি নিয়ে আসেন, তারা প্রতিদিন ২৫০-৩০০ টাকা পান।

শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের পূর্বপুরুষরাও এইভাবে বালি কাটতেন। মোহন নস্কর নামে এক শ্রমিকের দাবি, তিনি ৩০ বছর ধরে হুগলি নদী থেকে বালি কেটে নিয়ে এসে, এ ভাবেই বিক্রি করেন। কোনওদিন সরকারি দফতর বা প্রশাসন হস্তক্ষেপ করেনি। শ্রমিকদের আরও দাবি, নদী ড্রেজিং করতে সরকারের প্রচুর টাকা খরচ হয় ।এক্ষেত্রে বালি তুলে, তাঁরা  সরকারের উপকার করছেন।  এটাকে বালি চুরি বলে মানতে নারাজ শ্রমিকরা। অবৈধ বালি তোলা কিংবা অবৈধ খাদান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি থাকলেও, কেন এখনও পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে নদীগর্ভ থেকে বালি চুরি হচ্ছে? কেন ,এখনও প্রশাসনের নজরে পড়েনি? তার সদুত্তর মেলেনি ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

নদী বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নদী নিজের গতিপথে চলে, আর নিজের মত করে চলাই নদীর প্রকৃতি।নদীগর্ভের প্রাকৃতিক এবং স্বাভাবিক চর কাটা হলে, গতিপথের পরিবর্তন হয়।এর জেরে ডায়মন্ড হারবার এর মূল সড়কের ভাঙন হতে পারে।  এমনকী সংলগ্ন এলাকা অর্থাৎ নদীকূলও ভাঙতে পারে।

Shanku Santra

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: January 25, 2020, 3:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर