নিষেধাজ্ঞায় থোড়াই কেয়ার ! এখনও হাত দেখালেই বাস দাঁড়াচ্ছে বর্ধমানে

নিষেধাজ্ঞায় থোড়াই কেয়ার ! এখনও হাত দেখালেই বাস দাঁড়াচ্ছে বর্ধমানে

হাত দেখালেই মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে টাউন সার্ভিস বাস

হাত দেখালেই মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে টাউন সার্ভিস বাস

  • Share this:

#বর্ধমান: প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে থোড়াই তোয়াক্কা। এখনও বর্ধমান শহরে হাত দেখালেই দাঁড়িয়ে পড়েছে টাউন সার্ভিস বাস। যেখানে সেখানে জি টি রোডের ওপর খেয়াল খুশিমতো বাস দাঁড়িয়ে পড়ায় তৈরি হচ্ছে যানজট। কিছুদিন আগেই বাস মালিকদের ডেকে যেখানে সেখানে বাস দাঁড় করানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট বাসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে,এখন আগের মতই শম্বুক গতিতে বাস চলছে। প্রশাসনের ঠিক করে দেওয়া স্টপের বাইরেও যত্রতত্র বাস দাঁড়াচ্ছে।

হাত দেখালেই মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে টাউন সার্ভিস বাস। ট্রাফিক সিগন্যাল লাল হওয়ার আগে ধীর গতিতে চলে বাসগুলি। ফলে তার পেছনে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হয় অন্যান্য যানবাহন। তার জেরে বর্ধমান শহরের মূল রাস্তা জিটি রোডে যানজট নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।শহরে টাউন সার্ভিস বাসের মূলত দুটি রুট রয়েছে। একটি আলিশা বাস স্ট্যান্ড থেকে নবাবহাট বাসট্যান্ড। এই রুটে তেইশটি স্টপেজ রয়েছে।এছাড়া পূর্ত ভবন থেকে নবাবহাট বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত টাউন সার্ভিস বাস চলে। এই রুটে একুশটি স্টপেজ নির্দিষ্ট করে দিয়েছে প্রশাসন। ২০১৪ সালে সেই স্টপেজ চিহ্নিত করা হলেও তা কোনওদিনই মানা হয়নি।যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রী তোলার নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে এই শহরে।

শহরে যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে টাউন সার্ভিস বাস মালিকদের নিয়ে দীপাবলির আগেই বৈঠক করেছিল জেলা প্রশাসন। সেই বৈঠকেই নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস দাঁড় করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা যাবে না। প্রশাসন নির্দিষ্ট করে দেওয়া স্টপেজেই শুধুমাত্র বাস দাঁড়াবে। সেখান থেকেই বাসে উঠতে বা নাবতে পারবেন যাত্রীরা। অন্য কোনও জায়গায় বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা হলে সেই সব বাসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেইসঙ্গে স্টপেজগুলি চিহ্নিত করে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও দেখা যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞাকে পাত্তা না দিয়ে আগের মতোই চলাচল করছে বাসগুলি।

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর