Home /News /south-bengal /

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী বা তার পরিজন হলেই হাতে গরম বিরিয়ানির প্যাকেট!

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী বা তার পরিজন হলেই হাতে গরম বিরিয়ানির প্যাকেট!

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

তবে শুধু পরীক্ষার্থীদের জন্য নয়, বিনামূল্যে এই পরিষেবা পেতে পারেন পরীক্ষার্থীর আত্মীয় পরিজনেরাও।

  • Share this:

#বর্ধমান:  উচ্চমাধ্যমিক দিলেই বিরিয়ানির প্যাকেট! অন্তত ফ্রায়েড রাইস সঙ্গে চিলি চিকেন? মিলতেই পারে।

তবে শুধু পরীক্ষার্থীদের জন্য নয়, বিনামূল্যে এই পরিষেবা পেতে পারেন পরীক্ষার্থীর আত্মীয় পরিজনেরাও। বলছেন অভিভাবকরাই।সৌজন্যে পুরভোট। জটিল ধাঁধা? ভাবছেন পরীক্ষার সঙ্গে এসবের কি সম্পর্ক! আছে। সম্পর্ক আছে। বলছেন, বর্ধমানের পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ লগ্নে এমনটাই উপলব্ধি তাঁদের।

কি রকম! তবে খোলসা করেই বলা যাক।

ছেলে বা মেয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষা মানে বাবা মা-সহ নিকট আত্মীয়দের চিন্তার অন্ত নেই। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা বলে কথা! তাই সকাল সকাল ছেলে বা মেয়েকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া থেকে পরীক্ষা  শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাবা মায়ের চিন্তার অন্ত নেই। যদি কোনও ঝুট ঝামেলা হয়! যদি সব পেনের কালি শেষ হয়ে যায়! যদি পেট ব্যথা করে! মাথা ঘুরে পড়েও তো যেতে পারে- তখন! তাই পরীক্ষা কেন্দ্রে ছেলে মেয়েদের পাঠিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে পায়চারি করেন বেশিরভাগ অভিভাবকই।

সেই ফাঁকে তাঁদের মন জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না রাজনৈতিক দাদাদের অনেকেই। সামনেই পুরসভা ভোট। তাই নিজেদের পয়েন্ট বাড়াতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অনেক নেতাই। কেউ চেয়ার টেবিল এনে অস্থায়ী তাঁবু করে দিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার তাঁবুতে রাখছেন বাতাসা, পরিশুদ্ধ পানীয় জল। কোনও কোনও নেতা আবার অভিভাবকদের দিচ্ছেন কেক-চা-বিস্কুট। কিন্তু অভিভাবকরা তো সেই ওয়ার্ডের ভোটার নাও হতে পারেন। তাহলে?

কর্মীরা বলছেন, আরে বাবা! ওয়ার্ডের লোকেরা তো দেখছেন দাদা কত দরদী। ওতেই কাজ হবে। কোথাও কোথাও আবার সফলভাবে অভিভাবকদের পাশে থাকার জন্য প্রাক্তন কাউন্সিলরকে পুরস্কারও দেওয়া হচ্ছে। তার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে কাপ। সঙ্গীদের জন্য নানা উপহার। নিন্দুকেরা অবশ্য বলছেন, নিজেরাই পুরস্কার কিনে নিচ্ছেন নিজেরাই। সবই লোক দেখিয়ে ভোটের টিকিট পাওয়ার চেষ্টা।

শাসক দলের জেলা নেতারা অবশ্য বলছেন, প্রতিবছরই পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের পাশে থাকেন দলের নেতা কর্মীরা। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। এর পিছনে অন্য কোনও কারণ খোঁজা অবান্তর। অভিভাবকদের তাতে কিছুই আসে যায় না। তাঁরা বসার জায়গা, মাথার আচ্ছাদন, পানীয় জল, তেষ্টার চা পেয়ে খুশি। কেউ কেউ চোখ মটকে বলছেন, প্রার্থী ঘোষণা না হলে উচ্চমাধ্যমিকে বিরিয়ানির প্যাকেটও মিলতে পারে।

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Bardwan, Biriyani]

পরবর্তী খবর