• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • প্রতিশোধ নিতে অগ্নিদগ্ধ অবস্থাতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরল স্ত্রী, পুড়ে মৃত দম্পতি

প্রতিশোধ নিতে অগ্নিদগ্ধ অবস্থাতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরল স্ত্রী, পুড়ে মৃত দম্পতি

বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অছিলায় বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য মামনির উপর চাপ দেওয়া শুরু করে লালমোহন। বাপের বাড়িতে টাকা না আনায় বিয়ের মাস দুয়েক পর থেকে মামনির উপর শুরু হয় অত্যাচার।

বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অছিলায় বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য মামনির উপর চাপ দেওয়া শুরু করে লালমোহন। বাপের বাড়িতে টাকা না আনায় বিয়ের মাস দুয়েক পর থেকে মামনির উপর শুরু হয় অত্যাচার।

বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অছিলায় বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য মামনির উপর চাপ দেওয়া শুরু করে লালমোহন। বাপের বাড়িতে টাকা না আনায় বিয়ের মাস দুয়েক পর থেকে মামনির উপর শুরু হয় অত্যাচার।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: পণ হিসেবে বাইক চেয়েছিল স্বামী৷ না পেয়ে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার জন্য পরিকল্পনা করেছিল সে৷ স্বামীর লাগানো আগুনে যখন ঝলসে যাচ্ছে স্ত্রীর সমগ্র শরীর তখন সেই অবস্থাতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরল স্ত্রী। পরে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দু'জনকে উদ্ধার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে দুজনেরই। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার সাওড়াঘাটি গ্রামে।

    বছর দুয়েক আগে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার সাওড়াঘাটি গ্রামের মামনি ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয় কচিশোল গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কৃষক লালমোহন ঘোষের। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অছিলায় বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য মামনির উপর চাপ দেওয়া শুরু করে লালমোহন। বাপের বাড়িতে টাকা না আনায় বিয়ের মাস দুয়েক পর থেকে মামনির উপর শুরু হয় অত্যাচার। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে একাধিক বার বাপের বাড়ি চলে আসে মামনি। পরে গ্রামবাসীরা দু'পক্ষকে বসিয়ে বেশ কয়েকবার মিটমাটও করে দেয়।

    মামনি গর্ভবতী হয়ে পড়ায় মাস খানেক আগে ফের বাপের বাড়ি সাওড়াঘাটিতে বাপের বাড়িতে আসে মামনি। দিন ১৪ আগে একটি কন্যা সন্তানেরও জন্ম দেয় সে। এরপর বুধবার সন্ধ্যায় মামনির বাপের বাড়িতে আসে মামনির স্বামী লালমোহন। এসেই শ্বশুর বাড়ির কাছে একটি স্কুটার কিনে দেওয়ার বায়না ধরে সে। মামনির অভাবী বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে তা কিনে দেওয়া সম্ভব ছিল না। এ নিয়ে রাতে মামনির সঙ্গে এক দফা ঝগড়া ঝাটি হয় লালমোহনের। অভিযোগ, রাতে পরিবারের সকলে ঘুমিয়ে পড়লে লালমোহন মামনির মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর লালমোহন ঘর থেকে বেরিয়ে পালানোড় চেষ্টা করতেই জ্বলন্ত অবস্থাতেই মামনি জড়িয়ে ধরে লালমোহনকে।

    পোড়া গন্ধ পেয়ে ও ধোঁয়া বেরোতে দেখে পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙ্গে দুজনকেই দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। অর্ধদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয় তাঁদের সদ্যজাত সন্তানও। তিন জনকেই বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে ওই দম্পতির মৃত্যু হয়। তাঁদের কন্যা সন্তান এখনও বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি আছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ওন্দা থানার পুলিশ।

    First published: