Bardhaman Crime: প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছিল স্ত্রী! বাড়ি ফিরতেই যুবককে ফালা ফালা করল স্বামী

বর্ধমানে খুন। প্রতীকী ছবি।

যুবক খুনের কিনারা করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। বর্ধমানের শিবপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রদীপ মাঝি নামে এক যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়েছিল।

  • Share this:

#বর্ধমান: যুবক খুনের কিনারা করল বর্ধমান থানার পুলিশ। বর্ধমানের শিবপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রদীপ মাঝি নামে এক যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই খুনের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে নিরু মাঝি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এই খুন বলে পুলিশের দাবি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত নিরু মাঝির স্ত্রীর সঙ্গে মৃত যুবক প্রদীপ মাঝির  বিবাহ বহির্ভূত  সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল। জানুয়ারি মাসে দু-দিনের জন্য প্রদীপ নিরুর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েও যায়। কিছুদিন পর আবার তারা বাড়িও ফিরে আসে।এই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি নিরু।তার মনে আক্রোশ তৈরি হয়।বৃহস্পতিবার এক সঙ্গে মদ্যপানের প্রস্তাব দিয়ে প্রদীপকে বর্ধমানের শিবপুরের কাছে সেচখালের ধারে নিয়ে যায় নিরু।

পুলিশের অনুমান সেখানেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে প্রদীপকে  খুন করে সেচ খালের জলে দেহ ফেলে দেয় নিরু। তদন্তে নেমে পুলিশ নিরুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নিরু প্রদীপকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে।এরপরই পুলিশ নিরুকে গ্রেফতার করে। `বৃহস্পতিবার প্রদীপের গলার নলি কাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেদিন সকালেই মহিলার দগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল বর্ধমানের কাঞ্চননগরে দামোদরের বাঁধে। সেই ঘটনার পুলিশি তৎপরতার মাঝেই যুবক খুনে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। ঘটনার তদন্তে নামে বর্ধমান থানার পুলিশ।

মৃতের পরিবার দাবি করেছিল, শত্রুতার জেরেই তাদের ছেলেকে খুন করা হয়েছে।ইদানিং সে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে  জড়িয়ে পড়েছিল। তার জেরে এই খুন হতে পারে। সেই সূত্র ধরেই ঘটনার কিনারা করল পুলিশ। যুবক খুনের কিনারা হলেও এখনও দগ্ধ মৃত মহিলার পরিচয় জানা যায়নি বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ওই মহিলা অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার জোরদার তদন্ত চলছে। তবে ওই মহিলার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দেহ শনাক্ত হলে মৃত্যুর বিষয়টি অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: