বাড়ছে উদ্বেগ, জেলায় করোনা আক্রান্তের অর্ধেকই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা!

বাড়ছে উদ্বেগ, জেলায় করোনা আক্রান্তের অর্ধেকই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা!

গত চব্বিশ ঘন্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন 79 জন। তার মধ্যে শুধুমাত্র বর্ধমান শহরের বাসিন্দা রয়েছেন 39 জন।

গত চব্বিশ ঘন্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন 79 জন। তার মধ্যে শুধুমাত্র বর্ধমান শহরের বাসিন্দা রয়েছেন 39 জন।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েই চলেছে। গত চব্বিশ ঘন্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় যতজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তার অর্ধেকের কাছাকাছি বর্ধমান শহরেরই বাসিন্দা। সংক্রমণে রাশ টানা না যাওয়ায় উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দপ্তর। তাদের পরামর্শ, ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করে চলাই জরুরি। বাইরে বের হলে এখনও অবশ্যই মাস্ক বা ফেস কভারে ভালোভাবে মুখ ঢাকতে হবে। সেই সঙ্গে ভালভাবে বারবার স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা সহ যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দরকার।

গত চব্বিশ ঘন্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন 79 জন। তার মধ্যে শুধুমাত্র বর্ধমান শহরের বাসিন্দা রয়েছেন 39 জন। জনঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণেই জেলার অন্যান্য অংশের তুলনায় বর্ধমান শহরে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা বলছেন, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজনে এই শহরে আসছেন অনেকেই। বাস ও ট্রেনেও বহু মানুষ আসছেন। সেই কারণেই এই শহরে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আবার বাইরে থেকে এই শহরে এসে অনেকের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় এ দিন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে 166 জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার বর্ধমান শহর এলাকার বাসিন্দা। নতুন করে আক্রান্ত 79 জনের মধ্যে বারো জনের দেহে করোনার উপসর্গ ছিল। সেকারণেই তারা পরীক্ষা করিয়ে ছিলেন। তাতেই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এছাড়া বাকি 67 জনের মধ্যে কোনও রকম কোনও উপসর্গ ছিল না। উপসর্গ থাকা আক্রান্তদের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চালানো হচ্ছে।

জেলা স্বাস্থ্য দফতরেপ এক আধিকারিক জানান, বর্ধমান শহরে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকলেও অনেকের মধ্যেই পরীক্ষা করানোর ব্যাপারে অনীহা দেখা যাচ্ছে। উপসর্গ থাকলে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে করোনা হাসপাতালে থাকতে হবে এই আশঙ্কায় অনেকে পরীক্ষা করাচ্ছেন না। এর ফলে পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং সংস্পর্শে আসা বাকিদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সময়ে সংক্রমণ ধরা না পড়লে শারীরিক অবস্থা জটিল হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে। পরীক্ষা না করার ফলে আক্রান্তদের অনেককেই চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। তারা চিকিৎসা বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এই শহরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আশার সেটাও একটি কারণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: