corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিস্টির দোকান বন্ধ, দুধ বিক্রি শিকেয়! ফেলে দিতে হচ্ছে ১৫ হাজার লিটার দুধ

মিস্টির দোকান বন্ধ, দুধ বিক্রি শিকেয়! ফেলে দিতে হচ্ছে ১৫ হাজার লিটার দুধ
প্রতীকী চিত্র ।
  • Share this:

RAJARSHI ROY

#বারাসত:  লকডাউনে হাহাকার চারিদিকে। তার মধ্যে কান্নার রোল উঠেছে গোয়ালা পাড়ায়। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের ২৯ নং ওয়ার্ডে।এই ওয়ার্ডের কুতুলশাহী রোডের এক অংশ হল গোয়ালা পাড়া। প্রায় ১০০টি পরিবার গরু ও মোষের চাষ করে। এখানে প্রায় ৩ হাজারের মত গরু ও মোষ আছে। প্রতিদিন প্রায় ১৫০০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয় এই পাড়া থেকে।উৎপাদিত দুধ বারাসাত মধ্যমগ্রাম ও কলকাতায় সরবরাহ করা হয়। লকডাউনের জেরে মিস্টির দোকান বন্ধ। বন্ধ চায়ের দোকান। আর প্রতিদিন যাঁরা এঁদের থেকে দুধ নিতেন, তাঁরাও দুধ দিতে বারণ করে দিয়েছেন। দুধ নিয়ে ফ্লাটে বা বাড়িতে গোয়ালারা আসতে পারছেন না। এর ফলে তলানি পৌঁছেছে তাঁদের উৎপাদিত দুধের চাহিদা। অন্য দিকে, লকডাউনের কারণে গাড়ি করে দুধ নিয়ে কোথাও যেতেও পারছেন না।

এ তো গেল চাহিদা আর যোগানের কথা। এর ফলে উৎপাদিত দুধ বিক্রি আর যাচ্ছে না। ফলে একপ্রকার ফেলে দিতে হচ্ছে সেই দুধ। আর বাড়ির উঠানে কিংবা বাগানে যে গরু ও মোষ রয়েছে, তাদের খাবার যোগাড় করা এখন বড় সমস্যা। খড়  ও  বিচালি যাঁরা এই সব গোয়ালা পাড়ায় যোগান দিত, তাঁরা আর সেই সব নিয়ে আসতে পারছেন না। মূলত বর্ধমান জেলা থেকে বিচালির সরবরাহ একপ্রকার বন্ধ। একই ভাবে খোল ও ভূষির যোগানও নেই বললেই চলে। বাড়ির গোয়ালে বাঁধা গরু ও মোষ কী খাবে তা ঠিক করতেই মাথার চুল ছেঁড়ার মত অবস্থা। ইরা ঘোষের গোয়ালে ৬০টি মত মোষ আছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে মজুত বিচালি, খোল দিয়ে মেরে কেটে দেড় বেলা চলবে। তারপর এই অবলা প্রাণীদের কী খেতে দেবেন জানেন না। তাঁর কথায়, এখনই যদি প্রশাসন উদ্যোগী না হয়, তাহলে তাঁদের পাড়ার অবলা জন্তুরা অর্ধেকই মারা যাবে। এখন তাঁদের একটাই আর্তি, সরকার খোল, ভূষি আর বিচালির যোগান ঠিক রাখার ব্যবস্থা করুক ।

আয় না হোক অবলা প্রাণী গুলোকে দুমুঠো তাঁরা খেতে দিতে চান । ইরার মতই অর্তি মিরা ঘোষের। সরকার তাঁদের উৎপাদিত দুধ যদি ডেয়ারি ফার্মের মাধ্যমে কিনে নেওয়ার ব্যবস্থা করে, তাহলে সন্তানাদি নিয়ে এই কঠিন সময় একটু সুরাহা হয়, দাবি গৌতম ঘোষের। তাঁর আরও চিন্তা, তাঁর খাটালে জনা আটেক মানুষ কাজ করেন । তাঁরা দিন মজুর। কোথা থেকে তাঁদের টাকা দেবেন। বাজারে তো তাঁদের দুধ বিক্রির কোন উপায়ও নেই।

Published by: Simli Raha
First published: March 25, 2020, 5:00 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर