corona virus btn
corona virus btn
Loading

সাড়ে তিনশো বছর ধরে দেবী এখানে ঘটে পুজিত হয়

সাড়ে তিনশো বছর ধরে দেবী এখানে ঘটে পুজিত হয়
বিয়ে সংক্রান্ত বাধা বিপত্তি কাটাতে একমাত্র ভগবান মহাদেব ও মা কালী স্মরণে আসার অত্যন্ত প্রয়োজন ৷ তিনিই আসল বিপত্তিমুক্ত পথের দিশা দিয়ে থাকেন ৷

জঙ্গলে ঘেরা শ্মশান। তার মাঝে কালী মন্দির। একসময় ডাকাতরা পুজো করত।

  • Share this:

#উলুবেড়িয়া: জঙ্গলে ঘেরা শ্মশান। তার মাঝে কালী মন্দির। একসময় ডাকাতরা পুজো করত। এখন সংস্কার হয়েছে কালী মন্দিরের। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের পুরনো উলুবেড়িয়ার খলিশানীর আড়ম্বরহীন এই পুজো। ভিড় করেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা। নিত্যপুজো ও বলির রেওয়াজ রয়েছে এখানে।

প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের পুরনো হাওড়ার উলুবেড়িয়ার বুড়ি মা'র পুজো। মা কালী হাওড়ার খলিশানীতে বুড়ি মা নামেই খ্যাত। কথিত আছে আমতার বাসিন্দা কালিকুমার ভট্টাচার্য এই পুজো শুরু করেন। পরে তিনি দেবীর স্বপ্নাদেশ পান। সেই মতো উলুবেড়িয়ার খলিশানীতে একটি বেলগাছের তলায় মাটির ঘট পাওয়া যায়। সেই সময় গোটা এলাকা ছিল জঙ্গলে ঘেরা। পাশেই শ্মশান। সেখানেই পুজো শুরু করেন কালিকুমার। সাড়ে তিনশো বছর ধরে দেবী এখানে ঘটে পুজিত হয়ে আসছেন।

একসময় ডাকাতরা এখানে পুজো করত। কালের নিময়ে ডাকাতদের অস্তিত্ব আর নেই। তবে এই মন্দিরে এলেই সব মনস্কামনা পূর্ণ হয় বলে দাবি ভক্তদের। এমনকী পুজো দিলে সব রোগ-ব্যাধি সেরে যায়। এই বিশ্বাসে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন এখানে।

সাড়ে তিনশো বছরে রীতিতে কিছুটা বদল হয়েছে। কিন্তু নিষ্ঠায় বদল হয়নি এতটুকুও। নিত্যপুজো হয় খলিশানীর বুড়ি মা'র মন্দিরে। কার্তিক ও পৌষ মাসে দু'বার হয় মায়ের পুজো। এখানে রয়েছে বলি প্রথাও। শুধু কালীপুজোর সময়ই নয়, সারা বছরই এখানে ভিড় জমান ভক্তরা।

First published: October 19, 2017, 4:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर