হাতের কাছের উপকরণ দিয়ে অল্প খরচে তৈরি করা যায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার! কীভাবে?

হাতের কাছের উপকরণ দিয়ে অল্প খরচে তৈরি করা যায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার! কীভাবে?
  • Share this:

Saradindu Ghosh

#মেমারি: বাজারে গিয়ে মোটা টাকা খরচ করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার না কিনলেও চলবে। হাতের কাছের উপকরণ দিয়েই নামমাত্র খরচে তৈরি করে ফেলুন হ্যান্ড  স্যানিটাইজার। গুণমানে তা কোনও অংশে কম নয়। করোনা ঠেকাতে এলাকার বাসিন্দাদের হাতে কলমে সেই পাঠ দিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পল্লীমঙ্গল সমিতির সদস্যরা।

তরুণ এই যুবকরা বলছিলেন, গ্রামের অনেকেরই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কথা জানাই নেই। বাজার থেকে তা কিনে আনার সামর্থ্যও নেই অনেকের। অথচ করোনা ঠেকাতে এখন স্বাস্থ্য সম্মতভাবে বারে বারে হাত ধোয়া খুবই জরুরি। তাই হাতের কাছে পাওয়া সামগ্রী দিয়েই অতি অল্প খরচে তা কিভাবে তৈরি করা যায় তা আমরা এলাকার বাসিন্দাদের জানালাম।

পল্লীমঙ্গল সমিতির সম্পাদক সন্দীপন সরকার বললেন, অ্যালোভেরা গাছ অনেকের বাড়িতেই রয়েছে। সেই অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে সার্জিক্যাল স্পিরিট মিশিয়ে আমরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করলাম। একটি বোতলে ষাট ভাগ অ্যালোভেরা জেল ও চল্লিশ ভাগ সার্জিক্যাল স্পিরিট মিশিয়ে এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করা হয়েছে। সুগন্ধ আনতে তার সঙ্গে এসেন্স ব্যবহার করা যেতে পারে। না দিলেও গুণমানে হেরফের হওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই। তাঁদের দাবি, এই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সঙ্গে বাজার চলতি নামি কোম্পানির দামি হ্যান্ড স্যানিটাইজারের গুনগত কোনও পার্থক্য নেই। খরচ যৎসামান্য।

কী করে তা তৈরি করতে হবে তা জানানোর পাশাপাশি কখন, কীভাবে হাত ধুতে হবে তাও এলাকার বাসিন্দাদের জানানোর ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা। এরপর বাড়ি বাড়ি গিয়ে তা জানানোর পাশাপাশি মাস্কও বিতরণ করা হবে।

সন্দীপন জানান, ‘‘ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার বেশি পরিমানে তৈরি করছি আমরা। তা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণও করা হবে। আমরা এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য বিধিতে অভ্যস্ত করে তুলতে চাই। তাতে করোনা ভাইরাস তো ঠেকানো যাবেই। অন্য অনেক রোগ থেকেও মুক্তি মিলবে। সে কথা মাথায় রেখেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরামর্শ মেনেই এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করেছি।’’

First published: March 15, 2020, 5:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर