দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কৃষ্ণনগরের রাজপথে সাঙেই রানী-মা! সেমিফাইনালে ভরাডুবির পর জগদ্ধাত্রী পুজো উতরানোই প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ

কৃষ্ণনগরের রাজপথে সাঙেই রানী-মা! সেমিফাইনালে ভরাডুবির পর জগদ্ধাত্রী পুজো উতরানোই প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ
ফাইল ছবি।

মঙ্গলবার ফের জগদ্ধাত্রী পুজোর বারোয়ারি কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রশাসনের কর্তারা। সেখানে ফের স্পষ্টই জানান হয়েছে, করোনা আবহে কোনভাবেই সাঙে বিসর্জন দেওয়া যাবে না।

  • Share this:

#কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগরের রাজপথ চিরে রানী-মা এলেন সাঙেই! কথা ছিল সন্ধ্যের মধ্যেই শেষ হবে নিরঞ্জন পর্ব। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল নিরঞ্জন পর্ব শেষ হতে মাঝরাত গড়াল। তবে সন্ধ্যা থেকে প্রশাসন কড়া হাতে শহর শাসন করলেও, তাল কাটে মধ্যরাতের কিছু আগেই। সোমবার রাতে ঘড়ির কাঁটা সাড়ে এগারোটা ছুঁতেই রাজপথে বিদ্যুৎ খেলে যায়। ঝিমিয়ে পড়া শহর এক লহমায় প্রাণশক্তিতে ভরে ওঠে। দূর থেকে তখন শহরের আকাশে-বাতাসে গম গম করছে একটাই আওয়াজ, "আসছে কারা? রানী-মা..."।

শহরের অধিকাংশ প্রতিমা সাঙে যাওয়ার রীতি থাকলে, এ বারে করোনা আবহে প্রশাসনের তরফে তা এক্কেবারে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সকলে মানলেও, একপ্রকার নির্দেশ অমান্য করে সাঙেই প্রতিমা নিয়ে জলঙ্গির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় হরিজন পল্লির (এক নম্বর ডিপো) কালী প্রতিমা 'রানী মা'র কর্মকর্তারা। হই চই পড়ে যায় শহরের সর্বত্র। পোস্ট অফিস মোড়, চ্যালেঞ্জ মোড়ের ভিড় ভেদ জলঙ্গীর ঘাটে পৌঁছোয় প্রতিমা। যদিও সোমবার রাতের এই ঘটনায় কৃষ্ণনগর সিটি পুলিশের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কৃষ্ণনগরের কালীপুজো ছিল জেলা প্রশাসনের কাছে সেমি ফাইনাল। এ শহরের প্রধান উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। ফলে সেমি ফাইনালে এই ভরাডুবিতে যথেষ্ট চিন্তায় শহরের সচেতন নাগরিকরা। প্রসঙ্গত, পুলিশ-প্রশাসন কালীপুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সন্ধ্যার মধ্যে নিরঞ্জন পর্ব শেষ করতে হবে। কিন্তু আসলে দেখা যায় রাত পর্যন্ত চলল বিসর্জন। তবে শুধু পুজো কমিটির কর্মকর্তারা নয়, এ দিন শহরের রাস্তায় ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ফের জগদ্ধাত্রী পুজোর বারোয়ারি কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রশাসনের কর্তারা। সেখানে ফের স্পষ্টই জানান হয়েছে, এ বারে সাঙে বিসর্জন দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি ঘট বিসর্জন এবং প্রতিমা রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আগের সিদ্ধান্তই বলবৎ রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মূলত জগদ্ধাত্রী পুজোয় বিসর্জনের শোভাযাত্রা বা সাঙ করা নিয়ে তরুণ প্রজন্ম এবং  প্রবীণরা আড়াআড়ি  ভাগ হয়ে গিয়েছেন। শহরের বুকে সাঙ বন্ধ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়েছে। এমনকী ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে ফ্লেক্স টাঙিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের একাংশ। যদিও শহরের  বয়ঃজ্যেষ্ঠদের অনেকেই বলছেন, করোনা আবহে শুধু এ বছরে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিক শহরবাসী।

Published by: Shubhagata Dey
First published: November 17, 2020, 10:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर