কীভাবে মৃত্যু হল দেবাঞ্জনের? মিলছে না উত্তর, আরও গাঢ় হচ্ছে রহস্য

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 17, 2019 08:13 PM IST
কীভাবে মৃত্যু হল দেবাঞ্জনের? মিলছে না উত্তর, আরও গাঢ় হচ্ছে রহস্য
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 17, 2019 08:13 PM IST

#দমদম: দমদমের দেবাঞ্জন দাসের মৃত্যু নিয়ে রহস্য আরও গাঢ় হচ্ছে। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দেবাঞ্জনের? নাকি তাঁকে খুন করা হয়েছে? বছর কুড়ির যুবকের পরিবারের অভিযোগ, নিমতা থানা খুনের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করছে। নবমীর রাতে বিরাটির পাঁচ নম্বর রেলগেটের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দেবাঞ্জনের দেহ।

দমদমের টাকা কলোনির বাসিন্দা দেবাঞ্জন দাস। নবমীর গভীর রাতে নিমতা বাজার এলাকার বাসিন্দা তাঁর বান্ধবীকে বাড়ি ছাড়তে গিয়েছিলেন। ভোর রাতে দুর্ঘটনার খবর আসে নিমতা থানায়। পুলিশ গিয়ে বিরাটি পাঁচ নম্বর রেল গেটের কাছ থেকে দেবাঞ্জনের দেহ উদ্ধার করে। দেহ মেলে গাড়ির ভিতর থেকে। দেহ ময়নাতদন্তে সাগরদত্ত হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানায়, মত্ত হয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন দেবাঞ্জন। পাঁচ নম্বর রেলে গেটের কাছে একটি লাইটপোস্টে ধাক্কা মারে তাঁর গাড়ি। দুর্ঘটনার সময় সিট বেল্ট বাঁধা ছিল না। তাই স্টিয়ারিংয়ে সজোরে ধাক্কা খান দেবাঞ্জন। আঘাত লাগে ফুসফুসে। যা ফেটে দেবাঞ্জনের মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে।

পুলিশের এই দাবি মানতে নারাজ দেবাঞ্জনের পরিবার। তাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনা নয়, গাড়ির ভিতর গুলি করে খুন করা হয়েছে দেবাঞ্জনকে। ঘটনাস্থলে গুলির খোলও পাওয়া গিয়েছে বলে পরিবারের দাবি। দমদমের দাস পরিবারের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরেই দেবাঞ্জনকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। নাম উঠে আসছে প্রিন্স সিং নামে এক যুবকের। নাম উঠছে উত্তর কলকাতার বাসিন্দা রাজেশ ও বিট্টুরও। প্রিন্সের নামে অভিযোগ জানাতে গেলেই নিমতা থানার পুলিশ উলটে তাদের বিরুদ্ধে মানহানির হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ দেবাঞ্জনের পরিবারের। পুলিশের কোনও বক্তব্য জানা যায়নি।

First published: 08:13:59 PM Oct 17, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर