Home /News /south-bengal /
Aadhaar Mobile Link: আধার-মোবাইল জুড়তে কিনতে হবে গঙ্গাজল? হুগলির পোস্ট অফিসে আজব নিয়ম, বিক্ষোভ

Aadhaar Mobile Link: আধার-মোবাইল জুড়তে কিনতে হবে গঙ্গাজল? হুগলির পোস্ট অফিসে আজব নিয়ম, বিক্ষোভ

গোস্বামী মালিপাড়া ডাকঘরে গ্রাহকদের এই গঙ্গাজলের বোতল কিনতে বাধ্য করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ৷

গোস্বামী মালিপাড়া ডাকঘরে গ্রাহকদের এই গঙ্গাজলের বোতল কিনতে বাধ্য করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ৷

পোস্ট অফিসের এই আজব নিয়ম নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ জমছিল৷ বিষয়টি কানে যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বেরও (Aadhaar Mobile Link)৷

  • Share this:

    #হুগলি: আধার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর সংযুক্ত (Aadhaar Mobile Link) করতে গেলে কিনতে হবে গঙ্গাজল। এমনই অদ্ভুত নিয়মের গেরোয় গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে ডাকঘরে বিক্ষোভ দেখলো তৃণমূল৷ বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই গঙ্গাজল কেনা বাধ্যতামূলক নয় বলে জানালো জেলার মুখ্য ডাকঘর।

    হুগলির (Hooghly) পোলবা-দাদপুর ব্লকের গোস্বামী মালিপাড়া গ্রামে ডাকঘরে আধার কার্ডে মোবাইল নম্বর সংযুক্তিকরনের (Aadhaar Mobile Link) কাজ চলছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেখানে আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর সংযুক্তিকরণের জন্য পঞ্চাশ টাকা করে প্রত্যেকের থেকে নেওয়া হচ্ছে৷ এ পর্যন্ত তবু মেনে নিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ৷ কিন্তু সংযুক্তিকরণ করাতে গেলেই বাধ্যতামূলক ভাবে ২৫০ মিলিলিটার করে গঙ্গাজল কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ যার জন্য আরও তিরিশ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে৷ ফলে ওই ডাকঘরে আধার মোবাইল নম্বর সংযুক্তিকরণ করাতে গেলে প্রত্যেককে আশি টাকা করে দিতে হচ্ছিল৷

    আরও পড়ুন: ফ্রডের হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই চেক করে নিন আধার কার্ডের হিস্ট্রি.....

    পোস্ট অফিসের এই আজব নিয়ম নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ জমছিল৷ বিষয়টি কানে যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বেরও৷ এরই প্রতিবাদে এ দিন পোস্ট অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, কর্মীরা৷ চাপের মুখে ওই পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার বলেন, 'আমাদের গঙ্গাজল বিক্রি করতে বলা হয়েছে। তাই যাঁরা ডাকঘরে আসছেন, তাঁদের বলা হচ্ছে গঙ্গাজল কিনতে। কাউকে জোর করা হয়নি।'

    যদিও গ্রাহকদের অভিযোগ, অনুরোধ নয়, গঙ্গাজল কিনতে বাধ্য করা হচ্ছিল তাঁদের৷

    আরও পড়ুন: কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক রয়েছে আপনার Aadhaar Card ? এই ভাবে জেনে নিন...

    তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য মনোজ চক্রবর্তীর অভিযোগ, 'আধার কার্ড নিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। কখনও বলছে মোবাইল নম্বর যুক্ত, কখনও বলা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্টের সঙ্গে আধার নম্বর জুড়তে হবে৷ কাজকর্ম ছেড়ে মানুষ পোস্ট অফিসে আসছেন৷ আর সেখানে তাঁদের গঙ্গাজল কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে৷'

    বিজেপি-র হুগলি জেলার যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ বলেন, 'হরিদ্বারের গঙ্গার জল বোতল বন্দি করে ডাক ঘরের মাধ্যমে বিক্রি করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিরিশ টাকা করে তার দাম। কাউকে তো কেনার জন্য জোর করা হচ্ছে না।' একই দাবি করেছেন

    হুগলির মুখ্য ডাক ঘরের সহকারী সুপার গীতা বার্লা৷ তাঁর দাবি, 'ডাক ঘরে গঙ্গাজল পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই৷ তবে কোনও গ্রাহককে তা বাধ্যতামূলক ভাবে কিনতে হবে এমনটা বলা হয়নি। তবুও যে অভিযোগ উঠেছে, আমরা তা খতিয়ে দেখছি৷ গঙ্গাজল কেনার জন্য গ্রাহকদের বাধ্য করার কথা কোথাও বলা হয়নি৷'

    Rana Karmakar

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:

    Tags: AADHAAR, Hooghly

    পরবর্তী খবর