কালী প্রতিমার প্রবেশ এখানে নিষেধ !

কালী প্রতিমার প্রবেশ এখানে নিষেধ !

কালী প্রতিমার প্রবেশ এখানে নিষেধ । মহীরাবণের আরাধ্যা দেবী মহাকাল বা ভদ্রকালী কালী হিসেবে পূজিতা হন পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ক্ষীরগ্রামের সতীপীঠে।

  • Share this:

#বর্ধমান: কালী প্রতিমার প্রবেশ এখানে নিষেধ । মহীরাবণের আরাধ্যা দেবী মহাকাল বা ভদ্রকালী কালী হিসেবে পূজিতা হন পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ক্ষীরগ্রামের সতীপীঠে। রত্নবেদীতে কালীমন্ত্রে পূজিতা হন দেবী যোগাদ্যা। আমিষ ভোগে পুজো হয় যোগাদ্যা মায়ের। আগে নররক্তে পুজো হলেও, এখন তা বন্ধ। তবে আজও পশুবলি হয় সতীপীঠের কালীপুজোয়।

কথিত আছে, মহীরাবণকে কৌশলে বধ করে লক্ষ্মণ যখন পাতাল ত্যাগ করতে উদ্যাত হন, তখন রাবণের আরাধ্যা দেবী মহাকাল প্রভু রামচন্দ্রের সঙ্গে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। হনুমানের কাঁধে চেপে মহাকাল এসে ওঠেন মঙ্গলকোটের ক্ষীরগ্রামে। পুরাণ মতে, সেই সময় থেকেই দেবী মহামায়া বা মহাকালী কিংবা ভদ্রকালী যোগাদ্যা হয়ে রাঢ় বঙ্গে অন্ত্যজ শ্রেণির হাতে পূজিতা হতে শুরু করেন। শাক্ত মতে এটি সতীপীঠ। দেবীর ডান পায়ের বুড়ো আঙুল পড়েছিল এখানে। এখানে আলাদা কোনও কালী মূর্তি নেই । দেবীর রত্নবেদীতে কালীমন্ত্রে পুজো করা হয় দেবী যোগাদ্যাকে।

ক্ষীরগ্রামের দেবীর প্রস্তর মূর্তি সারা বছর জলে থাকলেও বিশেষ বিশেষ সময়ে মূল মন্দিরে অধিষ্ঠিতা হন। তন্ত্রচূড়ামণি মতে এই দেবী যেখানে থাকেন , সেখানে আরও কোনও দেবীর মূর্তি রেখে পুজো করা যায় না।

দেবীর নিত্যসেবায় আমিষ ভোগ হয়। কালী পুজোর রাতে মা যোগাদ্যার মহাভোগই দেওয়া হয় কালীকে ।

যোগাদ্যা সতীপীঠের কালী পুজো ঘিরে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। নরবলি না হলেও পশু বলি দেওয়া হয়। প্রতিমা ছাড়াই কালীর আরাধনা এখানে শাস্ত্রীয় অহংকার বলে দাবি মন্দির কর্তৃপক্ষের।

First published: 02:51:00 PM Oct 18, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर