দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আবর্জনার পাহাড়ে ঢাকা থাকছে বর্ধমান শহরের রাজপথ অলিগলি, ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা

আবর্জনার পাহাড়ে ঢাকা থাকছে বর্ধমান শহরের রাজপথ অলিগলি, ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা

আবর্জনায় ঢেকেছে বর্ধমান শহর। ইতিহাসের শহর বর্ধমানের রাজপথ থেকে অলিগলি সর্বত্রই এখন আবর্জনার পাহাড়।

  • Share this:

#বর্ধমান: আবর্জনায় ঢেকেছে বর্ধমান শহর। ইতিহাসের শহর বর্ধমানের রাজপথ থেকে অলিগলি সর্বত্রই এখন আবর্জনার পাহাড়। বাসিন্দারা বলছেন, দিনে দিনে উন্নত হয়ে উঠছে এই শহর। কিন্তু আবর্জনার পাহাড় শহরকে দিন দিন নোংরা করে তুলছে। ধারাবাহিকভাবে সাফাই কাজ যাতে পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শহরের বাসিন্দারা।

দুপুর গড়িয়ে গেলেও অনেক সময় আবর্জনা রাস্তার ওপর পড়েই থাকছে। শহরে ঢোকার মূল প্রবেশপত্র জি টি রোডের ওপরই স্তুপাকৃত হয়ে থাকছে আবর্জনা। গরু চরছে সেই আবর্জনার পাহাড়ে। বাসিন্দারা বলছেন,বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের কাছে শহর সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে। আবর্জনায় পূর্ণ নোংরা এক শহরের ধারণা তৈরি হচ্ছে তাদের কাছে। শহরের রাজপথের অবস্থা যেখানে এরকম সেখানে ছোট রাস্তার অবস্থা আরও করুণ।

এই শহরে বাড়ির ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করে তা ফেলা হয় রাস্তার মোড়ে। রাস্তা দখল করে জমতে থাকে আবর্জনার পাহাড়। বৃষ্টি হলে তা রাস্তায় নেমে আসে। দুর্গন্ধে সেই এলাকা দিয়ে চলাফেরায় দায় হয়ে দাঁড়ায়। দিনের-পর-দিন বাড়ির সামনে আবর্জনা স্তূপাকার হয়ে থাকায় বিরক্ত বাসিন্দারা। রাস্তার ওপর থেকে ভ্যাট সরানোর দাবি তুলেছেন অনেকেই। কিন্তু তাদের সেই আবেদনে কর্ণপাত করা হয় না বলে অভিযোগ।

বাসিন্দারা বলছেন, এই শহরে বাঁশি বাজিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ শুরু হয়েছিল। কিন্তু বেশিরভাগ এলাকাতেই সেই রীতি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন আর নিয়ম মেনে আবর্জনা সংগ্রহ করে না সাফাই কর্মীরা। তারা কবে কখন আসবে তা বুঝে ওঠাই দায় হয়ে ওঠে বাসিন্দাদের কাছে। ফলে বাড়িতে জমে থাকে আবর্জনা।তা যেমন নিয়মিত সংগ্রহ করা হচ্ছে না ঠিক তেমনই রাস্তার মোড়ের আবর্জনা নিয়মিত সঠিক সময়ে সরানোর কাজেও ফাঁক থেকে যাচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।

শহরের বাসিন্দাদের বক্তব্য,এই করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলছে প্রশাসন । এই সময় সাফাই কাজে তৎপরতা বাড়ানো জরুরি। কিন্তু সেই কাজেই ফাঁক থেকে যাচ্ছে। পুজোর মুখে যখন চারপাশ পরিচ্ছন্ন থাকার কথা তখন আবর্জনায় ডুবে থাকছে এলাকাগুলি। বাসিন্দাদের দাবি, নিয়ম মেনে প্রতিদিন সাতসকালে বাঁশি বাজিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করা হোক। সেই সঙ্গে রাস্তার মোড়ে সেই আবর্জনা পাহাড় তৈরি না করে সরাসরি তা আবর্জনা ফেলার গাড়িতে তুলে শহরের বাইরে ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে যাওয়ার নিশ্চিত করুক পুরসভা।

Published by: Akash Misra
First published: October 1, 2020, 8:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर