corona virus btn
corona virus btn
Loading

অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালের সামনে বসিয়ে রেখে চম্পট দিল ছেলে !

অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালের সামনে বসিয়ে রেখে চম্পট দিল ছেলে !

হাসপাতালের এমারজেন্সির কাছে তাঁকে শুইয়ে রেখে ছেলে চম্পট দেয় বলে অভিযোগ।

  • Share this:

#বর্ধমান: অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে হাসপাতালের সামনে ফেলে চম্পট দিল ছেলে! বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ঘটনায় জেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকমাস আগে বর্ধমানের এক নার্সিংহোমে বৃদ্ধ বাবাকে ভর্তি করে চম্পট দিয়েছিল ছেলে। বেশ কিছু দিন সেখানে ভর্তি থাকার পর মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। লক্ষাধিক টাকা নার্সিংহোমের বিল মেটানো দূরে থাক, মৃত বাবার দেহ পর্যন্ত নিতে আসেনি ছেলে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল বর্ধমান। এই ঘটনায় ছেলের ভূমিকায় ছি ছি করছেন অনেকেই।

বৃদ্ধের বাড়ি পশ্চিম বর্ধমানের বেনাচিতিতে। বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন। হাত পা অসাড়। অসুস্থতা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যাওয়ায় তাঁকে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাঁর ছেলে। হাসপাতালের এমারজেন্সির কাছে তাঁকে শুইয়ে রেখে ছেলে চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সেখানেই পড়ে ছিলেন বৃদ্ধ। শনিবার দিনভর ছিলেন খোলা আকাশের নিচে। সেখানেই সময় কেটেছে রবিবারও। রবিবার সন্ধ্যায় স্হানীয় বাসিন্দাদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরা বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গোচরে আনে। এরপর অনাথ দাস নামে ওই বৃদ্ধকে হাসপাতালের এমারজেন্সি বিভাগে ভর্তি নিয়ে নেওয়া হয়।

অনাথবাবু জড়ানো গলায় নাম পরিচয় জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, তাঁর ছেলের নাম রাহুল দাস। পুলিশ ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। স্হানীয় দোকানদাররা জানিয়েছেন, দু রাত হাসপাতালের বাইরেই না খেয়ে পড়েছিলেন ওই ব্যক্তি। আমরা বিষয়টি খেয়াল করার পর তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। তিনি জানান, ছেলে চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে এসেছিল। একটু আসছি বলে চলে গিয়েছে। সেই থেকে তার আর দেখা নেই।

এই ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। এই বর্ষায় দু রাত খোলা আকাশের নিচে অসুস্থ এক ব্যক্তি পড়ে রইলেন অথচ তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে গেল কীভাবে প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও। হাসপাতাল চত্ত্বর সি সি টিভি রয়েছে। সেই ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাতে তা ধরা পড়ল না কেন জানতে চাইছেন অনেকেই। এ ব্যাপারে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাফাই, সব সময়ই হাসপাতাল চত্ত্বরে রোগীর আত্মীয়দের ভিড় থাকছে। বিভিন্ন শেডের নিচে শুয়েও থাকেন অনেকেই। সেই ভিড়ে কে যে রোগী আর কে রোগীর আত্মীয় তার ফারাক করা মুশকিল। এক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটেছে। তবে বিষয়টি জানার পর পরই ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: June 15, 2020, 4:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर