দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে শুরু করল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন !

আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে শুরু করল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন !

বাড়ি ফেরার জন্য তারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে ওই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করে প্রশাসন।

  • Share this:

 #সুন্দরবন: লকডাউনের মধ্যে এই রাজ্যের ভিন জেলায় আটকে থাকা শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানো শুরু করল‌ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার ঢোলাহাট থানা এলাকার প্রায় ১০০ শ্রমিককে ফিরিয়ে আনা হল বিভিন্ন জেলা থেকে। প্রত্যেককে সুস্থভাবে বাড়ি ফেরানোর বন্দোবস্ত করে সুন্দরবন পুলিশ জেলা।  দীর্ঘদিন পর বাড়িতে ফিরে স্বভাবতই খুশি শ্রমিকরা।    তবে সরকারি নিয়ম মেনে করোনা সংক্রমণের হাত থেকে পরিবারকে বাঁচাতে প্রত্যেক শ্রমিককে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে, বাড়িতে ফিরে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুর, দক্ষিণ গঙ্গাধরপুর, কেওড়াতলা, নেতাজী, রবীন্দ্র, রামগোপালপুর, দিগম্বরপুর, শ্রীনারায়নপুর পূর্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু মানুষ কর্মসূত্রে হুগলি, নদিয়া, মালদা, মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন হিমঘরে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ প্রশাসনের নির্দেশে লকডাউনের জেরে ওই সমস্ত শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিল। যানবাহন বন্ধ ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি থাকার ফলে তাদের বাড়িতে ফেরা একরকম অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল।

 ওই শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে মজুত খাদ্য সামগ্রী কিছুদিন চালানোর পর শেষ হয়ে যায়। বাড়ি ফেরার জন্য তারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে ওই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করে প্রশাসন।  জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৩৭ জন পরিযায়ী শ্রমিককে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সোমবার বিকেলে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে সোমবার সন্ধ্যেয় ৮৭ জন ও মঙ্গলবার সকালে ৫০ জনকে সরকারি বাসে করে পৌঁছে দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানায়। ঢোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অনিন্দ্য মুখার্জির উদ্যোগে ওই সমস্ত এলাকার শ্রমিকদের ঠিক ভাবে বাড়ি ফেরার বন্দোবস্ত করা হয়।    সেই সঙ্গে ঢোলাহাট থানার পক্ষ থেকে সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদেরকে কড়াকড়ি ভাবে ১৪ দিন বাড়ির বাইরে বের না হয়ে বাড়ির লোকদের সংস্পর্শ বাঁচিয়ে হোম কোরেন্টাইনে থাকার কথা বলা হয়। জেলা শাসক পি উলগানাথন বলেন,‘‌ নিয়ম মেনে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে প্রত্যেককে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আগামী দিনেও এই পক্রিয়া চলবে।’‌ ‌   প্রত্যেকে বাড়িতে ফেরার পরে,তাদের স্বজনরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।প্রত্যেকে পরিবারে আবার ফিরে আসার জন্য খুবই অনন্দিত।

SHANKU SANTRA

Published by: Piya Banerjee
First published: April 23, 2020, 8:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर