• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষককে তাড়াতে হবে, দাবি স্কুলের অভিভাবকদের

শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষককে তাড়াতে হবে, দাবি স্কুলের অভিভাবকদের

হুইলচেয়ারে শিক্ষক। মানতে নারাজ অভিভাবকরা। আজও রায়দিঘি রায়মণিখাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষক অর্ণব হালদার।

হুইলচেয়ারে শিক্ষক। মানতে নারাজ অভিভাবকরা। আজও রায়দিঘি রায়মণিখাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষক অর্ণব হালদার।

হুইলচেয়ারে শিক্ষক। মানতে নারাজ অভিভাবকরা। আজও রায়দিঘি রায়মণিখাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষক অর্ণব হালদার।

  • Share this:

    #কলকাতা: হুইলচেয়ারে শিক্ষক। মানতে নারাজ অভিভাবকরা। আজও রায়দিঘি রায়মণিখাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষক অর্ণব হালদার। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ক্লাস করাতে পারলেও প্রশ্ন উঠছে, কেন একজন যোগ্য শিক্ষককে পড়াতে দিচ্ছেন না গ্রামবাসীদের একাংশ। প্রতিবন্ধকতাই কি মূল সমস্যা? নাকি বিরোধিতার পিছনে কাজ করছে অন্য কোনও স্বার্থ?

    শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও পড়াতে সক্ষম। যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই পেয়েছেন শিক্ষাকতার চাকরি। তা সত্ত্বেও বারবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে অর্ণব হালদারকে। শুক্রবারও রায়দিঘি রায়মণিখাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিশেষভাবে সক্ষম এই শিক্ষক। অভিভাবকদের একাংশের যুক্তি, শিক্ষক হুইলচেয়ারে বসে পড়ানোয় নাকি ভয় পাচ্ছে পড়ুয়ারা।

     পরিস্থিতি সামলাতে এদিন স্কুলে গিয়ে সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং রায়দিঘির বিডিও। অভিভাবকদের বুঝিয়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টাও করেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপেই এদিন প্রথমবার ক্লাস করান অর্ণব।

     জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আপাতত সমস্যা মিটেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, একজন যোগ্য শিক্ষককে কেন বারবার হেনস্থা করা হচ্ছে? শারীরিক প্রতিবন্ধকতাই কি এলাকাবাসীর মূল সমস্যা? নাকি এর পিছনে কাজ করছে ব্যক্তি স্বার্থ? রায়দিঘির ঘটনার জেরে এই প্রশ্নগুলিই উঠতে শুরু করেছে।

    First published: