দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ, এবার কাজ শুরু হল বাঁকুড়ার প্রস্তাবিত হল্ট স্টেশনের

দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ, এবার কাজ শুরু হল বাঁকুড়ার প্রস্তাবিত হল্ট স্টেশনের
তাই দু’দশক আগে থেকেই কাটজুড়িডাঙ্গা এলাকায় একটি হল্ট স্টেশনের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন শহরের পশ্চিম প্রান্তের মানুষ।

তাই দু’দশক আগে থেকেই কাটজুড়িডাঙ্গা এলাকায় একটি হল্ট স্টেশনের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন শহরের পশ্চিম প্রান্তের মানুষ।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ! অনুমোদনের পর শিলান্যাসের মাধ্যমে এবার কাজ শুরু হল শহরের প্রস্তাবিত হল্ট স্টেশনের ৷ দক্ষিণ পূর্ব রেলপথের বাঁকুড়া ও আঁচুড়ি স্টেশনের মাঝে কাটজুড়িডাঙ্গা এলাকায় একটি রেল স্টেশনের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে এসেছিলেন এলাকার মানুষ। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের  অনুমোদনের পর এবার শিলান্যাসের মধ্য দিয়ে শুরু হল হল্ট স্টেশনের পরিকাঠামো তৈরির কাজ। রেলের এই উদ্যোগে এলাকার মানুষ খুশি হলেও নির্বাচনের ঠিক আগে হল্ট স্টেশনের শিলান্যাসের ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান উতোর।

    গত দু দশকে ধীরে ধীরে লোকসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি কলেবরে বেড়েছে বাঁকুড়া শহর। শহরের এই আয়তন বৃদ্ধির হার সর্বাধিক শহরের পশ্চিম প্রান্তে। শহরের একমাত্র রেল স্টেশনটি পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত হওয়ায় শহরের পশ্চিম প্রান্তে বসবাসকারী মানুষদের প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার  পাড়ি দিয়ে ট্রেন ধরতে হয়। তাছাড়া শহরের পশ্চিম প্রান্তে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম বড় হাসপাতাল বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ অবস্থিত হওয়ায় ট্রেনে আসা রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের হাসপাতালে যেতে নিত্যদিন চূড়ান্ত নাকাল হতে হয়। তাই দু’দশক আগে থেকেই কাটজুড়িডাঙ্গা এলাকায় একটি হল্ট স্টেশনের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন শহরের পশ্চিম প্রান্তের মানুষ।


    গত পাঁচ বছর ধরে সেই আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে প্রস্তাবিত হল্ট স্টেশন উন্নয়ন কমিটি। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মাস কয়েক আগে রেল মন্ত্রক কাটজুড়িডাঙ্গায় হল্ট স্টেশনের অনুমোদন দেয়। এরপর আজ, বৃহস্পতিবার, বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকারের হাত ধরে শিলান্যাস হয় সেই হল্ট স্টেশনের। দফায় দফায় এই স্টেশন নির্মানের জন্য সাংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে মোট সাড়ে তিন কোটি টাকা দেওয়ার কথা আশ্বাস দিয়েছেন সাংসদ। সব ঠিকঠাক চললে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই হল্ট স্টেশন নির্মানের কাজ শেষ হবে। স্টেশনের পরিকাঠামো নির্মানের কাজ শেষ হলেই ওই হল্ট স্টেশনে ট্রেন থামবে। স্বাভাবিক ভাবেই খুশি এলাকার মানুষ।

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে হল্ট স্টেশনের তড়িঘড়ি এই শিলান্যাসে স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের দাবি এই হল্ট স্টেশন তাদের আন্দোলনের ফসল। এখন সেটাকে নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। বিজেপির দাবি ক্ষমতা থাকা সত্বেও তৃণমূল কিছু করতে পারেনি। এখন তাই নিয়েই চলছে জোর প্রচার। হল্ট স্টেশন তৈরিতে মানুষের সুবিধা হবে এবং সেই লাভ ভোটের বাজারে ঘরে তুলতে মরিয়া তৃণমূল-বিজেপি দু’পক্ষই৷

    Mritunjoy Das

    Published by:Pooja Basu
    First published: