দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমানে পুজো দিতে এসে রাজ্য সরকারের ফের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল

বর্ধমানে পুজো দিতে এসে রাজ্য সরকারের ফের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল

রাজ্যের দিকে অভিযোগ তুলে রাজ্যপাল বলেন, দেশের মধ্যে প্রতি কৃষক ৬ হাজার টাকা করে পায়। পশ্চিমবঙ্গের ৭০ লক্ষের বেশী কৃষক এই টাকা পায় না।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: বর্তমান রাজ্য সরকারকে ফের সমালোচনায় বিদ্ধ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সোমবার বর্ধমানে পুজো দিতে এসেছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। বর্ধমানের একশো আট শিব মন্দির ও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেন তিনি। এরপর কলকাতা ফেরার আগে বর্ধমান সার্কিট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেন।

রাজ্যপাল বলেন, বর্তমানে রাজ্যজুড়ে সিন্ডিকেট রাজ চলছে। দশটা ইট ও আধ কেজি সিমেন্ট কেনারও স্বাধীনতা নেই বাসিন্দাদের। সেই সঙ্গে বালি, কয়লা, পাথরের মাফিয়ারাজ চলছে। পুলিশ প্রশাসনকে এখানে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয় না। পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। যা গণতন্ত্রের পক্ষে মারাত্মক।

তিনি বলেন, কেন কেন্দ্রীয় কৃষক নিধি প্রকল্প চালু করা হল না তার জবাব দিক মুখ্যমন্ত্রী। কেন এ রাজ্যের কৃষকরা ন’হাজার আটশো কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত হলেন তার জবাব কে দেবে।

রাজ্যপাল বলেন, ডায়মন্ড হারবারে যখন গিয়েছিলাম রাজ্যের নির্দেশ ছিল সমস্ত প্রোটোকল মেনে চলার জন্য। পশ্চিমবঙ্গে কি কারও জায়গীর প্রথা আছে? ওখানে কি দেশের নিয়ম চলে না? ফের ডায়মন্ড হারবার যাব বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। আমফানে কেন্দ্র ও রাজ্য দু’জনেই সাহায্য করেছিল। যার ঘর পাবার কথা নয় তিনি পেয়েছেন। যার প্রাপ্য তিনি পাননি।পাকাবাড়ির লোক ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। এরজন্য হাইকোর্ট সিএজিকে দিয়ে তদন্ত করাচ্ছে। দুর্নীতির বিচার দরকার।

তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে প্রধানমন্ত্রী চাল ও ডাল দিয়েছিলেন। অথচ এখানে গণবন্টন ব্যবস্থা রাজনৈতিক দখলে চলে গেল। সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় কোন স্লিপ কিভাবে দেওয়া হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের মধ্যে প্রতি কৃষক ৬ হাজার টাকা করে পায়। এখনও পর্যন্ত ১৪ হাজার টাকা করে পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের ৭০ লক্ষের বেশী কৃষক এই টাকা পায় না। এটা কৃষকদের পেটে লাথি মারার মতো ব্যাপার।

রাজ্যপাল বলেন, পশ্চিমবঙ্গের চিত্র বদলাতে চাই। ভোটের সময় হলেই সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক দলগুলির মতো কাজ করে। ভোট আসা মানেই হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়। সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক দলের মতো রোল প্লে করে। সরকারি সম্পত্তি ও সরকারি গাড়ি রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার হয়। কিন্তু এটা সঠিক নয়।

বিজেপি কর্মীদের উপর শ্যুটআউট প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। জায়গায় জায়গায় বোমা তৈরি হচ্ছে।রাজনৈতিক চক্রান্ত, রাজনৈতিক মৃত্যু চিন্তার বিষয়। সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচন করার জন্য সর্বোত্তম চেষ্টা করব।

Published by: Simli Raha
First published: January 4, 2021, 5:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर