Home /News /south-bengal /
Local News: গ্রামে বিদ্যুৎ নেই, রাস্তাতেই স্কুল বানিয়ে শিক্ষাদান 'রাস্তার মাস্টারের',  উদ্যোগী প্রশাসন

Local News: গ্রামে বিদ্যুৎ নেই, রাস্তাতেই স্কুল বানিয়ে শিক্ষাদান 'রাস্তার মাস্টারের',  উদ্যোগী প্রশাসন

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Local News: আসানসোল পুরনিগমের ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত জামডোবা গ্রাম। আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা  আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম জামডোবা।

  • Share this:

#আসানসোল:  গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। তাই রাস্তাতেই স্কুল বানিয়ে চলছে শিক্ষাদান। ভরসা লম্ফ কিম্বা মোমবাতি। উদ্যোগী 'রাস্তার মাস্টার'।  চলতি মাসের বাইশ তারিখ এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় নিউজ এইট্টিন বাংলায়। তারপরই বিষয়টি নজরে আসে আসানসোল পুর নিগমের। বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে উদ্যোগ শুরু প্রশাসনের। আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, ওই গ্রামের সমস্যার কথা শুনেছি। যাতে শীঘ্রই ওই গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এ ছাড়াও ওই গ্রামে অনুন্নয়নের যে বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে'।

আরও পড়ুন: মণিপুর থেকে বাংলাদেশে হচ্ছিল পাচার, কিন্তু এ কী মিলল! বালুরঘাটে মারাত্মক কাণ্ড

আসানসোল পুরনিগমের ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত জামডোবা গ্রাম। আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা  আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম জামডোবা। গ্রামে নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়। তিন কিলোমিটার দূরে পাশের গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা নিতে যেতে হয় এই গ্রামের পড়ুয়াদের। আর এই গ্রামেই দুয়ারে শিক্ষা পৌঁছে দিচ্ছেন রাস্তার মাস্টার খ্যাত দীপনারায়ণ নায়েক। জামুরিয়া তিলকা মুর্মু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষক  করোনাকলে রাস্তায় রাস্তায়, পাড়ায় পাড়ায়, খোলা আকাশের নিচে স্কুল তৈরি করেছিলেন। পড়ুয়াদের পড়াশোনার ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: 'ঘটিবাটি সবই যাবে...' বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ! নিশানা করলেন কাকে? তীব্র আলোড়ন

সেই তখন থেকেই শুরু দুয়ারে শিক্ষা পরিষেবা। যে গ্রামে এখনও স্কুল নেই। যে গ্রামে শিক্ষার ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। বিদ্যুৎ নেই। সেই গ্রামেই ছোট ছোট পড়ুয়াদের তিনি এখন শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার কাজে ব্রতী হয়েছেন। রাস্তার দু'পাশে মাটির বাড়ি।  আর সেখানে রয়েছে দাওয়া। সেখানেই দেওয়ালে দেওয়ালে ব্ল্যাকবোর্ড তৈরি করে চলছে পঠন পাঠন।গ্রামবাসীদের বক্তব্য, 'গ্রামে প্রচুর পড়াশোনায় আগ্রহী এমন ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা রয়েছে। কিন্তু গ্রামে কোনও  বিদ্যালয় না থাকায় অনেক দূরে স্কুল থাকায় পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে অনেকেই। দীপনারায়ণ স্যার যদি না থাকতো তা হলে যে কি হত জানি না।  তবে গ্রামে বিদ্যুৎ আসার ব্যাপারে আগেও অনেক আশ্বাস মিলেছে। তাই না আঁচালে বিশ্বাস নেই'। পাশাপাশি গ্রামে যদি একটি বিদ্যালয় স্থাপন করা যায় সে ব্যাপারেও  সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

ভেঙ্কটেশ্বর লাহিড়ী 

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Asansol

পরবর্তী খবর