corona virus btn
corona virus btn
Loading

সরকারি নিয়ম শিথিল করে ২৩জন নিখোঁজ মৎসজীবীর পরিবারের হাতে এল ২ লক্ষ টাকার চেক

সরকারি নিয়ম শিথিল করে ২৩জন নিখোঁজ মৎসজীবীর পরিবারের হাতে এল ২ লক্ষ টাকার চেক

এদিন নিখোঁজ মৎস্যজীবী পরিবারদের স্বজনরা চেক নিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই আর্থিক সাহায্যের পর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি স্বস্তি পেয়েছেন।

  • Share this:

#সুন্দরববন: সরকারি নিয়ম শিথিল করে নিখোঁজ মৎস্যজীবী পরিবারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। চলতি বছরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে সামুদ্রিক ঝঞ্ঝায় ট্রলার উল্টে নিখোঁজ হন শতাধিক মৎস্যজীবী। পরে বাংলাদেশ থেকে অধিকাংশ মৎস্যজীবীর খোঁজ মেলে। কিন্তু এখনও নিখোঁজ ২৩ মৎস্যজীবী। সরকারি নিয়মে নিখোঁজ মৎস্যজীবীকে মৃত ঘোষণা করে ক্ষতিপূরণ দিতে ৭ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু এবার দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবান্নয় ফাইল পাঠানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী জেলা প্রশাসনকে ২৩ মৎস্যজীবী পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। বুধবার কাকদ্বীপ বিডিও অফিসে ওই পরিবারগুলির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা, জেলা শাসক পি উলগানাথন, মহকুমা শাসক শৌভিক চট্টোপাধ্যায়, মৎস্যজীবী ইউনিয়নের নেতা সতীনাথ পাত্র। এদিন নিখোঁজ মৎস্যজীবী পরিবারদের স্বজনরা চেক নিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই আর্থিক সাহায্যের পর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি স্বস্তি পেয়েছেন। এদিন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা বলেন, ‘‘কাকদ্বীপ, নামখানার বাসিন্দাদের বড় অংশ সামুদ্রিক মৎস্যজবীবী। প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে মৃত্যু হয় মৎস্যজীবীদের। অনেকেই নিখোঁজ থাকেন। মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তায় সরকার একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। তারপরও এবছর দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। ২৩ মৎস্যজীবী পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি নিয়ম শিথিল করে এই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ আসে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।’‌’

First published: September 11, 2019, 7:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर