নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই বর্ধমান শহর থেকে সরকারি বিজ্ঞাপন সরানোর কাজ শুরু

নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই বর্ধমান শহর থেকে সরকারি বিজ্ঞাপন সরানোর কাজ শুরু

এবার এই জেলায় পঁচিশ হাজার ভোট কর্মী রয়েছেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ভোট কর্মীদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

এবার এই জেলায় পঁচিশ হাজার ভোট কর্মী রয়েছেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ভোট কর্মীদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: নির্বাচনী আচরণ বিধি শুরু হতেই তৎপরতা বৃদ্ধি করল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। বর্ধমান শহর থেকে সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও কাটআউট খোলার কাজ শুরু হল। শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ফ্লেক্স কাট আউট লাগানো হয়েছিল। নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেসব খোলার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কোর্ট কম্পাউন্ড, জেলাশাসকের অফিস চত্বর ও তার আশপাশে এখন সরকারি প্রচারমূলক বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও কাটআউট খোলার কাজ চলছে জোর কদমে। বেশিরভাগ প্রচারেই ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সহ সেই সব সরকারি বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলার কাজ চলছে। শুধু বর্ধমান শহর নয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কালনা,কাটোয়া শহর সহ জেলার সব এলাকায় সরকারি জায়গায় থাকা বিভিন্ন ব্যানার পোস্টার সহ রাজনৈতিক প্রচার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষনা করা হয় নির্বাচন কমিশনের তরফে।সেই মতো নির্দেশ আসতেই নির্বাচনী আচরণ বিধি কার্যকর করে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।সেই নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুসারেই শহরজুড়ে লাগানো সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও কাটআউট খোলার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। এদিন জেলাশাসকের অফিসে সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।সেই বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম ,কংগ্রেস সহ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।নির্বাচন পর্ব শান্তিপূর্ণ রাখতে জেলা প্রশাসনের তরফে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়। সেই সঙ্গে এই করোনা পরিস্থিতিতে নির্বিঘ্নে নির্বাচন পর্ব সম্পূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।

ভোটারদের মনে ভয় দূর করতে ও বাসিন্দাদের সকলের ভোট নিশ্চিত করতে নানান পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই জেলায় এসেছে তিন কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় মার্চপাস্ট করছেন। জেলা পুলিশের সঙ্গে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের মনোবল চাঙ্গা করার কাজ চলছে। এই জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার এই জেলায় পঁচিশ হাজার ভোট কর্মী রয়েছেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ভোট কর্মীদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: