Home /News /south-bengal /
Gosaba Disaster : নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত তিন গ্রাম, গোসাবায় গৃহহীনদের ঠাঁই নৌকোয়

Gosaba Disaster : নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত তিন গ্রাম, গোসাবায় গৃহহীনদের ঠাঁই নৌকোয়

বিরাট ক্ষতির মুখে সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি গ্রাম

বিরাট ক্ষতির মুখে সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি গ্রাম

Gosaba Disaster : নোনা জল শেষ করে দিল মিষ্টি পুকুরের মাছ থেকে শুরু করে চাষের জমি । আবার বিরাট ক্ষতির মুখে সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি গ্রাম । 

  • Share this:

গোসাবা : ইয়াসের জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও সম্পূর্ণ রূপে তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেননি । তার উপর আবার সেই একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি হল গোসাবায় । নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হল তিনটি গ্রাম । নোনা জল শেষ করে দিল মিষ্টি পুকুরের মাছ থেকে শুরু করে চাষের জমি । আবার বিরাট ক্ষতির মুখে সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি গ্রাম ।

শনিবার সকাল ১০:৩০ মিনিট নাগাদ পূর্ণিমা কোটালের জল বাড়তে থাকে। আগে থেকেই প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল। তবুও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কয়েকটি জায়গা দিয়ে নদী বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকতে দেখেন গ্রামবাসীরা । গোসাবা ব্লকের মোল্লা খালির, মধুসূদনপুর এলাকায় জোয়ারের জলের চাপে ভেঙে যায় নদীর বাঁধ। সেই নদীর বাঁধ প্রায় ৩০ মিটারের মত ভেঙে গিয়ে গ্রামে জল ঢুকতে থাকে । কিছু ক্ষণের মধ্যেই নোনাজলের গ্রাসে চলে যায় গ্রামগুলি। ছোটাছুটি শুরু হয় গ্রামবাসীদের।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছন বিডিও এবং বিধায়ক ।  গ্রামের মানুষের অভিযোগ, তাঁরা ২০০৯ সালে আয়লা হওয়ার পর থেকে কংক্রিটের স্থায়ী বাঁধের দাবি করেছিল । ১৩ বছর কেটে গেলেও এখনও তা হয়নি।

আরও পড়ুন : কূপ খনন শুরু হতেই ডেউচা পাঁচামিতে কয়লার সন্ধান, আনন্দে আত্মহারা বাসিন্দারা

এই পরিস্থিতিতে মধুসূদনপুর মৌজায় দুর্বল নদীবাঁধ ভেঙে জল ঢুকে যায় গ্রামে । এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজারের বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । প্রশাসনের তরফে সিভিল ডিফেন্সের লোকেরা প্রত্যেককে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে গিয়েছেন । ওই মৌজার দুটি হাইস্কুলে সবাইকে রাখার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন । বেশ কিছু মানুষ এখন তাঁদের সংসার পেতেছেন নৌকায় । কারণ তাঁরা বাড়ির কাছ ছেড়ে কোথাও যেতে চাইছেন না । অনেকের বাড়িতে জল ঢোকা সত্বেও বাড়িতেই রয়েছেন । প্রশাসন তাঁদের বুঝিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে ।

আরও পড়ুন :  বাড়ির উঠোন থেকে স্কুলবাড়ি জল থৈ থৈ! এ বার কি নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি আসন্ন?

গোসাবা বিডিও-র তরফে ত্রিপল থেকে আরম্ভ করে খাবার পৌঁছে গিয়েছে আর্তদের কাছে । আবার জোয়ার এলে কী হবে, সেই ভাবনায় ভয়ে শিউরে উঠছেন গ্রামের মানুষজন । বিধায়ক সুব্রত মণ্ডল দাবি করেন,  কোটাল কাটলেই নদীবাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হবে । যত তাড়াতাড়ি সমস্যা সমাধান করা যায়, সে চেষ্টা করবেন তিনি ।  তবে সেচ দফতর যে বাঁধের নজর ঠিক ভাবে রাখে না, সে বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে গ্রামবাসীদের।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Gosaba

পরবর্তী খবর