দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

উৎসবের মুখে ছানা অমিল, চিন্তায় বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা

উৎসবের মুখে ছানা অমিল, চিন্তায় বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা

এই সমস্যা মেটাতে অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালু হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা। মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ছানা পেতে সমস্যা হবে না ৷

  • Share this:

#বর্ধমান: লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ছানা মিলছে না। উৎসবের মরশুমে সমস্যার মধ্যে পড়েছেন বর্ধমানের মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, বেশি দাম দিয়েও ভাল মানের ছানা পাওয়া যাচ্ছে না। পুজোর মুখে ছানার চাহিদা বাড়ছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছানার দাম বাড়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে মিষ্টির দাম বাড়াতে হতে পারে। তখন বাড়তি দাম দিয়ে মিষ্টি কিনতে হবে ক্রেতাদের। এই সমস্যা মেটাতে অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালু হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা। মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ছানা পেতে সমস্যা হবে না ৷

পূর্ব বর্ধমান জেলা কালনা কাটোয়া মেমারি মন্তেশ্বর জামালপুর রায়না-সহ বেশ কিছু এলাকায় কয়েক হাজার পরিবার ছানার কারবারের সঙ্গে যুক্ত। এইসব এলাকা থেকে কলকাতা দুর্গাপুর আসানসোলে ছানা যায়। কিন্তু ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় সেই ছানা পরিবহণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেকেই কারবার বন্ধ করে দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন। তাঁরা বলছেন, কাটোয়া কালনা বর্ধমান মেমারি থেকে খুব কম সময়ে কম খরচে ট্রেনে কলকাতা ও শহরতলিতে ছানা পাঠানো যাচ্ছিল। কিন্তু ট্রেন না চলায় নিদারুণ সমস্যার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। বাসে ছানা নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। গাড়িতেও ছানা পাঠিয়ে খরচ উঠছে না। তাছাড়া বাড়তি সময় লেগে যাচ্ছে। তাতে ছানা খারাপও হয়ে যাচ্ছে।

মিষ্টান্ন বিক্রেতারা বলছেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক দোকান প্রয়োজন অনুযায়ী ছানা পাচ্ছে না। আগে ১৭৫ টাকা কেজি দরে ছানা মিলছিল। এখন কেজিতে ১৫ টাকা দাম বেড়ে ১৯০ টাকা কেজি দরে ছানা বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু তাতেও ছানা পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা থাকছে না।সময়ে ছানা আসছে না। কারিগরেরা বসে থাকছে। সময়ে মিষ্টি তৈরি করা যাচ্ছে না। আবার যে ছানা আসছে তার গুণগতমান অনেক সময় খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ট্রেন চলাচল শুরু হলে শুধু যে ভালো মানের ছানা মিলবে তাই নয়, অনেক বেশি ক্রেতারও দেখা মিলবে বলে জানিয়েছেন মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: October 14, 2020, 4:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर