corona virus btn
corona virus btn
Loading

কন্যাশ্রীর টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে জমা দিলেন পড়ুয়া!

কন্যাশ্রীর টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে জমা দিলেন পড়ুয়া!

মেয়েদের দেখাদেখি সংসারের জন্য জমানো টাকার বেশ কিছুটা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দিলেন এই দুই ছাত্রীর মাও।

  • Share this:

#বর্ধমান: কন্যাশ্রী প্রকল্পের বাঁচানো টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দান করলেন এক পড়ুয়া। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই দান। তাঁর দেখাদেখি অনুপ্রাণিত হয়ে টিফিন খরচ থেকে বাঁচানো টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দিল তার স্কুল পড়ুয়া বোনও। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবাই যখন গৃহবন্দি তখন মাকে নিয়ে দুই বোন এসেছিলেন বর্ধমানে জেলা শাসকের অফিসে। সেখানেই জেলা প্রশাসনের হাতে চেক তুলে দেন তাঁরা। মেয়েদের দেখাদেখি সংসারের জন্য জমানো টাকার বেশ কিছুটা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দিলেন এই দুই ছাত্রীর মাও। সব মিলিয়ে এই পরিবার এক লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দান করলেন।

বর্ধমান শহরের কাঁটাপুকুর এলাকার বাসিন্দা ঈশিকা বন্দ্যোপাধ্যায় মানকর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি বললেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আমরা তো ঘরে থাকছি। কিন্তু দিন আনি দিন খাই পরিবারগুলি খুবই সমস্যার মধ্যে রয়েছে। তাদের অনেকের খাবার জুটছে না। রাজ্য সরকার তাদের জন্য অনেক কিছু করছে। কিন্তু রাজ্য সরকারেরও আর্থিক ক্ষমতা সীমিত। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে অনেকেই অর্থ সাহায্য পাঠাচ্ছেন। আমারও মনে হয়েছে এখন কিছু করা প্রয়োজন। আমার কাছে কন্যাশ্রী প্রকল্প থেকে পাওয়া দশ হাজার টাকা ছিল। ওই টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দান করলাম।

বর্ধমানে হরিসভা বালিকা বিদ্যালয়ে পড়ে ঈশিকার বোন ঈশানি। দিদির দেখাদেখি ত্রান তহবিলে টাকা দিতে পেরে খুশি সেও। তার বক্তব্য, টিফিনের টাকা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে ছিলাম। সব মিলিয়ে এক হাজার একশো এগার টাকা। সেই টাকার পুরোটাই মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দিতে পেরে ভালো লাগছে।

মেয়েরা সমাজের এই দুর্দিনে এগিয়ে আসার মানসিকতা দেখানোয় খুশি মা মিঠু বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বললেন, আজকের দিনে সমাজের সবাইকেই সাধ্য মতো আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসা জরুরি। আসছেনও অনেকে। ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য মিঠুদেবী মেয়েদের সঙ্গে এসে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে এক লক্ষ টাকা জমা দেন।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: April 1, 2020, 2:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर