• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • কুসংস্কারের জের, সাপে কাটা শিশুকে নিয়ে ওঝার কাছে, প্রাণ গেল ৪ বছরের মেয়ের

কুসংস্কারের জের, সাপে কাটা শিশুকে নিয়ে ওঝার কাছে, প্রাণ গেল ৪ বছরের মেয়ের

সাপে কাটা আটকাতে পা ঢাকার ব্যবস্থা করতে পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর। সাপে কাটার ওষুধের অভাবে এখনও মৃত্যু হয় এরাজ্যে। মৃত্যু ঠেকাতে খোঁজ চলছে বিকল্পের। সাপের কামড় থেকে বাঁচতে এবার বিশেষ ধরণের মোজা তৈরির ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর। গবেষণা শুরুর নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাপে কাটা আটকাতে পা ঢাকার ব্যবস্থা করতে পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর। সাপে কাটার ওষুধের অভাবে এখনও মৃত্যু হয় এরাজ্যে। মৃত্যু ঠেকাতে খোঁজ চলছে বিকল্পের। সাপের কামড় থেকে বাঁচতে এবার বিশেষ ধরণের মোজা তৈরির ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর। গবেষণা শুরুর নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

    #ক্যানিং: সাপে কাটা শিশুর প্রাণ বাঁচাতে ওঝার দরজায় পরিবার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন্দিরে হত্যে। পরিণাম যা হওয়ার, তাই হল। প্রাণ গেল সন্দেশখালির মণিপুরের বাসিন্দা, চার বছরের পল্লবী সর্দারের। অথচ এমন ঘটনা রুখতে সরকারি, বেসরকারি প্রচারের খামতি নেই। তারপরও যে বহু মানুষের হুঁশ ফেরেনি, পল্লবীর অকালমৃত্যুই তার প্রমাণ।

    বিনা চিকিৎসায় প্রাণ গেল সাপে কাটা শিশুর। মৃত পল্লবী সর্দারের বাড়ি সন্দেশখালির মণিপুরে। বৃহস্পতিবার রাতে মায়ের সঙ্গে শুতে গিয়েছিল চার বছরের পল্লবী। পরিবারের দাবি, তখনই তাকে সাপে কামড়ায়। মেয়েকে বাঁচাতে ওঝার কাছে ছোটে পরিবার।

    ওঝা হাল ছাড়ার পর পল্লবীকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন পরিবারের লোকেরা। বেশ কিছুক্ষণ মন্দিরেও ফেলে রাখা হয় তাকে। শেষমেশ আনা হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। ততক্ষণে সব শেষ।

    কিছুদিন আগে একই কাণ্ড ঘটিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামের সঞ্জয় মণ্ডলের পরিবার। বছর কুড়ির সঞ্জয়কে সাপে কামড়ানোর পর হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে ওঝার কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন বাড়ির লোকেরা। পরে অবশ্য হাসপাতালে ভরতি করানো হয় তাঁকে। এখনও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সঞ্জয়। সচেতনতার অভাবেই বারবার এমন ঘটনা ঘটছে বলে মানছেন চিকিৎসকরা।

    First published: