• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • তৃণমূলে সম্মান নেই, সাংসদই দুর্নীতিগ্রস্ত! এবার সুর চড়ালেন বহরমপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান

তৃণমূলে সম্মান নেই, সাংসদই দুর্নীতিগ্রস্ত! এবার সুর চড়ালেন বহরমপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান

বহরমপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান নীলরতন আঢ্য৷ Photo-Facebook

বহরমপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান নীলরতন আঢ্য৷ Photo-Facebook

দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বহরমপুরের সাংসদ পদে রয়েছেন নীলরতন আঢ্য৷ একসময় কংগ্রেসে অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন নীলরতনবাবু৷

  • Share this:

    #বহরমপুর: আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র এবং প্রশাসক বোর্ডের প্রধান জিতেন্দ্র তিওয়ারির পর এবার বহরমপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান নীলরতন আঢ্য৷ দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন আরও এক তৃণমূল নেতা৷ রাখঢাক না করেই বললেন, তৃণমূলে কোনও সম্মান নেই৷ এমনই দলের জেলা সভাপতি ও সাংসদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিগ্রস্ত বলেও অভিযোগ করেছেন নীলরতনবাবু৷ পাল্টা মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহেরের অভিযোগ, অধীর চৌধুরীর সঙ্গে যোগসাজশ করেই এই ধরনের অভিযোগ করছেন নীলরতন আঢ্য৷

    দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বহরমপুরের সাংসদ পদে রয়েছেন নীলরতন আঢ্য৷ একসময় কংগ্রেসে অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন নীলরতনবাবু৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর গত কয়েক বছরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি৷ কারণ তৃণমূলের তরফে মুর্শিদাবাদ জেলার দায়িত্বও দীর্ঘদিন সামলেছেন শুভেন্দু৷ ক্ষুব্ধ নীলরতনবাবুর অভিযোগ, রাজ্য জুড়ে বহু পুরসভায় পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেখানে প্রাক্তন পুরপ্রধানদেরকেই প্রশাসক হিসেবে বসানো হলেও বহরমপুরের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি৷ তিনি বলেন, 'আমরা শহরের উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূলে গিয়েছিলাম৷ কিন্তু তৃণমূলে কোনও ভালমন্দ আলোচনায় আমাদের ডাকা হয় না৷ কারণ ডাকলে অনেকের অসুবিধে হবে না৷ পার্টি অফিসে গোষ্ঠীবাজি করছে৷ বেশ কিছু মানুষ রোজগারের জন্য দল করছে৷ মানুষ খেতে পেল কি না পেল, তা তাঁরা ভাবছেন না৷ আমরা পার্টি অফিসে বসে এসব করতে দেব না৷' নীলরতনবাবুর আরও অভিযোগ, দুর্নীতি নিয়ে জেলা সভাপতি এবং মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহেরকে একাধিকবার অভিযোগ জানালেও তিনি কোনও পদক্ষেপ করেননি৷

    নীলরতনবাবুর এই অভিযোগ মানতে নারাজ আবু তাহের৷ তাঁর অভিযোগ, দলের কাজে সময়ই দেন না নীলরতনবাবু৷ দলীয় কার্যালয়েও আসেন না তিনি৷ বরং প্রশাসক হওয়ার জন্য বার বার তাঁকে ফোন করে অনুরোধ করেছেন৷ অধীর চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করার পরই তিনি এই ধরনের অভিযোগ করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের জেলা সভাপতি৷

    যদিও এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে নীলরতনবাবুর পাল্টা দাবি, অধীর চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর ৪৫ বছরের সম্পর্ক৷ সৌজন্যের খাতিরেই তিনি বহরমপুরের সাংসদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে জানিয়েছেন নীলরতনবাবু৷ পাল্টা তাঁর প্রশ্ন, 'মুখ্যমন্ত্রীও তো বাবুল সুপ্রিয়কে তাঁর গাড়িতে তুলেছেন৷ তিনি তো বিজেপি-র নেতা৷'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: