হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
মাংস খাবার জন্য মারা হচ্ছে পরিযায়ী পাখি, দামোদরে বাড়তি নজরদারি বন দফতরের

মাংস খাবার জন্য মারা হচ্ছে পরিযায়ী পাখি, দামোদরে বাড়তি নজরদারি বন দফতরের

বর্ধমানের চৈত্রপুর থেকে ইদিলপুর পর্যন্ত দামোদরের তীরে এবার প্রচুর পরিযায়ী পাখি এসেছে। তাদের মধ্যে কয়েকটি পরিযায়ী পাখির মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যু বন দফতরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে

  • Share this:

#বর্ধমান: পরিযায়ী পাখিদের অযথা বিরক্ত করবেন না। এই আবেদন জানিয়ে দামোদরের তীরে প্রচার শুরু করলো বনদফতর। পরিযায়ী পাখি রয়েছে এমন জায়গায় মাইক বাজিয়ে তাদের যাতে বিরক্ত করা না হয়, সে ব্যাপারেও নজরদারি বাড়ানো হবে বলে বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

বর্ধমানের চৈত্রপুর থেকে ইদিলপুর পর্যন্ত দামোদরের তীরে এবার প্রচুর পরিযায়ী পাখি এসেছে। তাদের মধ্যে কয়েকটি পরিযায়ী পাখির মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যু বন দফতরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি পরিযায়ী পাখিদের মেরে ফেলার কাজে যুক্ত রয়েছে বলে অনুমান বনদফতরের। তারা মূলত মাংস খাবার লোভেই গুলতি বা ঢিল ছুড়ে পাখিদের মেরে ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও খাবারে বিষ মিশিয়ে পাখিদের মারার ঘটনা ঘটে  থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন দফতর।

একটি পশু প্রেমী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, দামোদরের তীরে দুটি রাডি সেলডাক ও দুটি পন্ড হেরন, একটি রিভার লাপওয়াইল এবং একটি বক জাতীয় পাখির মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে দেহের ময়নাতদন্ত চলছে। এই পাখিদের মৃত্যুর পরে দামোদর তীরবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে বন দফতর। মঙ্গল-বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও দামোদরের তীর ধরে বাসিন্দাদের পরিযায়ী পাখিদের সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, '' এলাকার বাসিন্দারা সচেতন হলে তবেই ভালভাবে পরিযায়ী পাখিরা থাকতে পারবে। নিরাপত্তার অভাব বোধ করলে অন্য জায়গা খুঁজে নেবে। তাই এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে তারা যাতে পাখিদের অযথা বিরক্ত না করে, তাদের উদ্দেশ্যে করে ঢিল না ছোড়ে সেই আবেদন করা হচ্ছে। বাসিন্দারাও সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছেন। চোরা শিকারিরা যাতে এখানে কোনওরকম ভাবে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য পালন করতে না পারে তা গ্রামবাসীরা দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।''

বনদফতর আধিকারিকরা বলছেন, '' শীত আসতেই পিকনিকের মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। দামোদরের তীরে চৈত্রপুর থেকে ইদিলপুর পর্যন্ত এলাকায় প্রচুর পিকনিক পার্টি আসে। তারা যাতে এখানে উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেম না বাজান তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পঞ্চায়েত, পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হবে। কারণ কোলাহলের পরিবেশ পাখি পছন্দ করে না। তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে।''

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Bardhaman