ফুটবলারের রহস্যমৃত্যুতে ধৃতের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

ফুটবলারের রহস্যমৃত্যুতে ধৃতের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
Snehasish Dasgupta

ফুটবলারের রহস্যমৃত্যুতে ধৃত পিন্টু নাগের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল শ্রীরামপুর আদালত।

  • Share this:

#শ্রীরামপুর: ফুটবলারের রহস্যমৃত্যুতে ধৃত পিন্টু নাগের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল শ্রীরামপুর আদালত। বাকি দু'জনের ছ'দিনের পুলিশ হেফাজত। গতকালই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর-সহ ৩ জনকে। পিন্টু নাগ ছাড়াও গ্রেফতার করা হয় সাবির রঞ্জন দাস ও প্রতাপ মণ্ডলকে। তাঁদের গ্রেফতার করল শেওড়াফুলি জিআরপি। পিন্টু নাগের স্ত্রী শ্রীরামপুরের ২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তরুণ ফুটবলার স্নেহাশিস দাশগুপ্তের মৃত্যুর ঘটনায় শেওড়াফুলি জিআরপি-তে খুনের অভিযোগ দায়ের করে তাঁর পরিবার।

ফুটবলারের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর-সহ গ্রেফতার ৩। ধৃতদের নাম, পিন্টু নাগ, সাবির রঞ্জন দাস ও প্রতাপ মণ্ডল। তাঁদের গ্রেফতার করে শেওড়াফুলি জিআরপি। পিন্টু নাগ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। পিন্টু নাগের স্ত্রী শ্রীরামপুরের ২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তরুণ ফুটবলার স্নেহাশিস দাশগুপ্তের মৃত্যুর ঘটনায় শেওড়াফুলি জিআরপি-তে খুনের অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।

তরুণ ফুটবলারের রহস্যমৃত্যুতে খুনের অভিযোগ পরিবারের। শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলর মৌসুমী নাগ ও তাঁর স্বামী পিন্টু নাগের বিরুদ্ধে শেওড়াফুলি জিএরপিতে অভিযোগ দায়ের করেছেন স্নেহাশিসের বাবা-মা। কাউন্সিলরের ভাই রিন্টুর সঙ্গে স্নেহাশিসের বচসার জেরেই খুন বলে অভিযোগ। যদিও তা মানতে নারাজ অভিযুক্তরা। নিহত ফুটবলারের খোয়া যাওয়া মোবাইলের শেষ টাওয়ার লোকেশন নিয়েও রহস্য তৈরি হয়েছে।

ফুটবলারের রহস্য মৃত্যুতে প্রভাবশালী যোগ। নবমীর দিন শ্রীরামপুর স্টেশনের পাশে রেললাইনের ধার থেকে স্নেহাশিস দাশগুপ্তর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। ফেসবুকের পোস্ট থেকে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করা হলেও, সোমবার শেওড়াফুলি জিআরপিতে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে নিহত ফুটবলারের পরিবার।

 ফুটবলারকে খুনের অভিযোগ

- এফআইআরে নাম শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর মৌসুমী নাগের

- অভিযোগ কাউন্সিলরের স্বামী পিন্টু নাগের বিরুদ্ধেও

- অভিযুক্ত স্নেহাশিসের বন্ধু রিন্টু ও তার মা রিঙ্কু সাহা

- এছাড়াও আরও কয়েক জনের নাম রয়েছে এফআইআরে

পরিবারের দাবি, নবমীর দিন স্নেহাশিসের সঙ্গে তাঁর বন্ধু রিন্টু সাহার বচসা হয়। এরপরই রিন্টু তাঁর দিদি ও জামাইবাবুকে নিয়ে স্নেহাশিসের বাড়িতে চড়াও হয়। কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামীর নেতৃত্বেই স্নেহাশিসকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রিন্টুর সঙ্গে স্নেহাশিসের বচসার জেরেই খুুন বলে দাবি নিহত ফুটবলারের পরিবারের।

তদন্তে প্রশ্ন

- স্নেহাশিসের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার হয়নি

- শেষবার মোবাইলটির টাওয়ার লোকেশন ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা

- দেহ শ্রীরামপুরে পাওয়া গেল আর মোবাইলের টাওয়ার কেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

- ট্রেনের গার্ড বা চালকদের তরফে দুর্ঘটনার কোনও মেমো জমা পরেনি

ফেসবুকে করা ফুটবলারের পোস্ট নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। কি নিয়ে স্নেহাশিস ও রিন্টুর বচসা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। স্নেহাশিসের এক প্রাক্তন বান্ধবীর নামও উঠে আসছে। তাঁকে নিয়ে দু'জনের বচসা হয়েছিল কি না ? তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফুটবলারের রহস্য মৃত্যুর জট খুলতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টই ভরসা পুলিশের।

First published: 07:42:13 PM Oct 05, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर