corona virus btn
corona virus btn
Loading

পাইপ কেটে বাঁশি! তাক লাগিয়ে দিলেন চেলিডাঙার জিতেন লুই দত্ত, দেখুন ভিডিও

পাইপ কেটে বাঁশি! তাক লাগিয়ে দিলেন চেলিডাঙার জিতেন লুই দত্ত, দেখুন ভিডিও

বাঁশির সুর শুনে শেখার ইচ্ছে হয়েছিল। কিন্তু অভাব-অনটনের সংসারে শেষ পর্যন্ত আর বাঁশি কেনা হয়ে ওঠেনি।

  • Share this:

#আসানসোল: বাঁশির সুর শুনে শেখার ইচ্ছে হয়েছিল। কিন্তু অভাব-অনটনের সংসারে শেষ পর্যন্ত আর বাঁশি কেনা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু ইচ্ছে থাকলে যে উপায় হয় তা করে দেখালেন জিতেন লুই দত্ত। অভিনব বাঁশি বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন জিতেনবাবু। প্লাস্টিকের পিভিসি পাইপ দিয়ে অবিকল আসল বাঁশির মতো নিজের তৈরি করে ফেললেন বাঁশি। আসানসোলের চেলিডাঙ্গার বাসিন্দা জিতেনবাবু পেশায় পুরনিগমের অস্থায়ী কর্মী। শহরের সংস্কৃতির পীঠস্থান রবীন্দ্র ভবনের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানে শিল্পী তথা বক্তাদের সাউন্ড সিস্টেমের দায়িত্ব সামলান। ছোট থেকেই বাঁশিবাদক হওয়ার স্বপ্ন ছিল। একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী হিসেবে সমাজকে সুরের মূর্ছনায় ভাসিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আর্থিক অনটন। দীর্ঘদিন যাবৎ টেলিভিশনের পর্দা কিংবা বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানে শ্রোতা হিসেবে নিয়মিত হাজির থাকতে থাকতে আচমকা জিতেনবাবু একদিন প্রেমে পড়ে যান বাঁশির। তখন থেকেই বাঁশি বাদক নিজেতে ভাবার তাঁর স্বপ্ন দেখা শুরু হয়।

কিন্তু অর্থের অভাবে বাঁশি কেনার শখপূরণ তাঁর কাছে বিলাসিতার সমান ছিল । তাই বাঁশি কেনা আর শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি। ভাল বাঁশি কিনতে গেলে প্রয়োজন অর্থের। কার্যত নুন আনতে পান্তা ফুরোনো অবস্থার কারণে আর বাঁশি কিনে উঠতে পারেননি আসানসোলের এই ‘বাঁশিওয়ালা’। তাই প্লাস্টিকের পাইপ দিয়েই বানিয়ে ফেললেন বাঁশি ৷ বর্তমানে নিয়মিত সেই বাঁশির সুরেই নিজের মনের খিদে মেটানোর পাশাপাশি শ্রোতাদেরও মন ভরিয়ে তোলেন জিতেন লুই দত্ত। পুরনো দিনের গান যখন তাঁর বাঁশিতে বাজে তখন পথচলতি মানুষ একটু থমকে যান ৷ ইট-কাঠ-পাথরের আসানসোল শহরে পৌরনিগমের অস্থায়ী কর্মী জিতেন লুই দত্তর শখ একটাই, বাঁশি বাজানো ৷ ছোটো থেকে স্বপ্ন দেখতেন বাঁশি বাদক হওয়ার ৷ কিন্তু বাঁশের বাঁশির যে অনেক দাম ৷ অভাব-অনটনের সংসারে এমন শখ মনের কোণাতেই থেকে যায় ৷ জিতেনবাবুর ক্ষেত্রেও তাই হতে পারত ৷

কিন্তু তিনি ১২ বছর ধরে খেলনা বাঁশি বাজিয়ে নিজের শখ জিইয়ে রেখেছিলেন ৷ বাঁশি বাজালেও বড় বাঁশি বাজানোর শখ ছিল বরাবর ৷ আসানসোল রবীন্দ্রভবন সংস্কারের কাজ শুরু হয় কিছুদিন আগে ৷ সেখানে জলের সংযোগের জন্য পিভিসি পাইপ ব্যবহার করা হয় ৷ সেইসব পাইপের টুকরো একটু একটু করে জমা করতে থাকেন জিতেনবাবু ৷ আর তাই দিয়েই তৈরি করে ফেলেছেন অভিনব বাঁশি ৷ জিতেনবাবুর কথায়, ‘পিভিসি পাইপের বাঁশির সুর কোনও অংশেই আসল বাঁশির থেকে কম মধুর নয় ৷ কাজের অবসরে সেই বাঁশিই বাজাই। নিয়মিত সাধনাও করি । রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, কিংবা আধুনিক বাংলা হিন্দি বিভিন্ন গানের সুর বাঁশির মাধ্যমে তুলে ধরার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ পূরণ হল'।

VENKATESWAR LAHIRI
Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: March 16, 2020, 9:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर