সুন্দরবনে মৎস্যজীবীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে, ২মাস পর সমুদ্রে মাছ ধরার প্রস্তুতি

গত বছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য অনেক ম‍‍ৎস্যজীবী মারা গিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যাটা ৩৯।

গত বছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য অনেক ম‍‍ৎস্যজীবী মারা গিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যাটা ৩৯।

  • Share this:

    #কাকদ্বীপ: নিষেধাজ্ঞা উঠতে সপ্তাহ ২ অপেক্ষা। তারপরই কাকদ্বীপ, নামখানা, রায়দিঘি থেকে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি ট্রলার পাড়ি দেবে গভীর সমুদ্রে। ইলিশ শিকারে। তুঙ্গে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বিপদ এড়াতে সতর্ক রয়েছে প্রশাসনও। ১৪ এপ্রিল থেকে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর ছিল সরকারি নিষেধাজ্ঞা। তার উপর ছিল ফণীর দাপট। সব মিলিয়ে ২ মাস ছিল মাছ ধরতে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা। যা উঠে যাচ্ছে ১৪ জুন। ২ মাসের বিরতিতে ট্রলার মেরামতি, রং, জালা সারাইয়ের কাজ সেরে রেখেছেন ম‍ৎস্যজীবীরা। মাছ ধরতে যাওয়ার আগে গঙ্গা ঠাকুরের পুজো দিয়ে তবেই সমুদ্রে পাড়ি দেন ম‍‍ৎস্যজীবীরা। গত বছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য অনেক ম‍‍ৎস্যজীবী মারা গিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যাটা ৩৯। সরকারি সাহায্যও মেলেনি। তাই এই বছর বাড়তি তৎপর প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় ম‍‍ৎস্যজীবী ইউনিয়ন। প্রতিপদে বিপদ রয়েছে। কিন্তু রোজগারের টানে পেটের দায়ে সমুদ্রে পাড়ির প্রস্তুতি শুরু মৎস্যজীবীদের।

    First published: