• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • কোল মাফিয়া গ্রেফতারে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

কোল মাফিয়া গ্রেফতারে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রশাসনের অনুমতিতে আগ্নেয়াস্ত্রর লাইসেন্স নিয়ে নিয়মিত তোলাবাজি চালাত তারা। কলকাতা পুলিশের এসটিএফের তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

প্রশাসনের অনুমতিতে আগ্নেয়াস্ত্রর লাইসেন্স নিয়ে নিয়মিত তোলাবাজি চালাত তারা। কলকাতা পুলিশের এসটিএফের তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

প্রশাসনের অনুমতিতে আগ্নেয়াস্ত্রর লাইসেন্স নিয়ে নিয়মিত তোলাবাজি চালাত তারা। কলকাতা পুলিশের এসটিএফের তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: প্রশাসনের অনুমতিতে আগ্নেয়াস্ত্রর লাইসেন্স নিয়ে নিয়মিত তোলাবাজি চালাত তারা। কলকাতা পুলিশের এসটিএফের তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও রাজেশ ওরফে রাজু ঝাঁ-এর গান লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে উঠে আসছে এক এসডিও-র নাম। বর্তমানে তিনি জেলাশাসক।আবার আজই মাফিয়াদের সঙ্গে ধৃত বিজেপি নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও দুটি আগ্নেয়াস্ত্র। রাজেশ ওরফে রাজু ঝাঁ- গান লাইসেন্স নম্বর-১০/২০১০ গান নম্বর - ৫২৩০৭০ পার্থ চট্টোপাধ্যায় গান লাইসেন্স নম্বর- ০৯/২০১০ গান নম্বর- এইচ৯৬১৭৪ লোকেশ সিং গান লাইসেন্স নম্বর ০৬/২০১৫ গান নম্বর - ৩১২০৩২ ডিমাপুরের লাইসেন্স ডিএমআর ৭১৬ এখানে ট্রান্সফার করা হয় এর মধ্যে সবথেকে বেশি বিতর্ক দেখা দিয়েছে রাজেশ ওরফে রাজু ঝাঁ ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের লাইসেন্স নিয়ে। দুজনের ক্ষেত্রেই আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুরের তৎকালীন এসডিও বা মহকুমাশাসকের ছাড়পত্রে। রাজু ঝাঁ ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গান লাইসেন্স নিয়ে নির্দিষ্ট রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল ৷ নিউটাউনশিপ থানার রিপোর্টের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিস সুপার জানান কেস ইজ রেকমেন্ডেড ফর কনসিডারেশন - মেমো নম্বর ১৪৯/ই-১৮/২/২০১০ অতিরিক্ত জেলাশাসক ফের মহকুমাশাসককে পারসোনাল এনকোয়ারি করে স্পেসিফিক ভিউ দিতে বলেন- মেমো নম্বর- ৯ডি/এডিএম/জেএম-২২/০২/২০১০ মহকুমাশাসক লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে মত দেন- মেমো নম্বর ১৪৪ ও ১৪৫/জেএম/ডিজিপি-২৪/০২/২০১০ দুটি লাইসেন্সের ক্ষেত্রেই রিপোর্ট দিয়েছিলেন দুর্গাপুরের তৎকালীন এসডিও মৌমিতা বসু ( বোর্ডে নাম লেখা স্টিল আছে)। বর্তমানে তিনিই বাঁকুড়ার জেলাশাসক। কীভাবে এবং কোন তথ্যের ভিত্তিতে তিনি আগ্নেয়াস্ত্রর অনুমোদন দিয়েছিলেন ? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও তিনি এব্যাপারে কোনও কথা বলতে চাননি। দুহাজার দশ সালের আগেই তোলাবাজি ও কয়লার কালোবাজারিতে নাম জড়িয়েছে রাজু , পার্থ ও লোকেশের। তারপরেও কীভাবে তাদের নামে প্রশাসন আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করে? শুধু তাইই নয়, মাফিয়াদের সঙ্গে ধৃত মণীশ শর্মার রাণীগঞ্জের বাড়িতে বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালায় কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। তাতে দুটি ওয়ান শটার, দু রাউন্ড গুলি ও পাঁচটি ডেবিট কার্ড পাওয়া গেছে। জানা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজের ভুয়ো পরিচয় দিয়েছেন মণীশ। আদতে যোশী হলেও তিনি শর্মা পরিচয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন।

    First published: