• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • যুবককে ঘুমন্ত অবস্থায় মুখ থেঁতলে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

যুবককে ঘুমন্ত অবস্থায় মুখ থেঁতলে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

দুপুরে তারকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

দুপুরে তারকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

দুপুরে তারকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

  • Share this:

#বর্ধমান: ছেলেকে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার হল বাবা। পারিবারিক অশান্তির জেরে ছেলেকে খুন করে সে পালিয়ে গিয়ে ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। খুনির রক্তমাখা জামা প্যান্ট আগেই উদ্ধার করেছিল তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা। এবার মেমারি থেকে অভিযুক্ত রবি রায়কে গ্রেফতার করল পুলিশ। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও খুনের সময় ব্যবহৃত লোহার সামগ্রী উদ্ধারের জন্য অভিযুক্তকে পাঁচ দিন নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ধৃত রবি রায় নিজের হাতে তার যুবক ছেলেকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশের দাবি।

বুধবার দুপুরে বর্ধমানের রায়ানের নারানদিঘি এলাকার বাড়ির তক্তায় তারক রায় নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তারকের বাবা রবি রায় বাড়িতে অশান্তি করতো। সে বারে বারেই স্ত্রীকে মারধরও করতো বলে অভিযোগ। মায়ের সঙ্গে বাবাকে অশান্তি করতে দেখে বারে বারেই বাবার আচরণের প্রতিবাদ করতো ছোট ছেলে তারক।

মঙ্গলবার রাতেও তেমনই অশান্তি শুরু হয়। অশান্তি চরমে পৌছলে বাবাকে শাসন করে তারক। পাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যস্থতায় তা গভীর রাতে মিটেও যায়। বাবা ঘরের ভেতর শুতে যায়। বারান্দায় তক্তায় শুয়ে পড়ে তারক। বেলায় তারকের মুখ থেঁতলানো মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেদিন সকাল থেকেই তারকের বাবার খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। অবশেষে মেমারি থেকে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। ধৃতকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

জেরায় সে পুলিশকে জানিয়েছে, বর্ধমানের রায়ানে স্ত্রী ছবি রায়কে নিয়ে রবি থাকতো। তার দুই ছেলে আলাদা থাকতো। তারক তাদের ছোট ছেলে। স্ত্রীর সঙ্গে মাঝেমধ্যেই রবির অশান্তি হত। ছোটছেলে তারক বাবার আচরনের প্রতিবাদ করেছে অনেকবার। তেমনই অশান্তির জেরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারকের ঘরে যায় রবি। তারক তার মাকে ডেকে পাঠায়। দুই মেয়েকে নিয়ে সেখানে পৌঁছয় তারকের মা। কথাবার্তা থেকে ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। বড় ছেলের মধ্যস্থতায় ঝগড়া থামে। দুই মেয়েকে নিয়ে ফিরে যায় ছবি। রবি ভেতরের ঘরে ও তারক বারান্দার তক্তায় শুয়ে পড়ে। পরদিন দুপুরে তারকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর স্বামীই এই খুন করেছে বলে পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ছবি দেবী। এরপর ছেলেকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল বাবা।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: