দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

চিন্তা নেই, রবিশস্য ও বোরোচাষে প্রয়োজনের সেচের জল পাবেন পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষকরা

চিন্তা নেই, রবিশস্য ও বোরোচাষে প্রয়োজনের সেচের জল পাবেন পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষকরা

জলাধার মেরামতির কারণে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে আগেই সব জল ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই এবার জল পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল কৃষকদের মনে।

  • Share this:

#বর্ধমান: ধান কাটা, ধান ঝাড়ার পর এখন সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির কাজ চলছে জোর কদমে। তারই মধ্যে বোরো ধান চাষের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন রাজ্যের শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষকরা। কিন্তু সেই চাষের জন্য সেচের জল কতটা মিলবে তা নিয়ে চিন্তায় ছিলেন কৃষকরা। জলাধার মেরামতির কারণে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে আগেই সব জল ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই এবার জল পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল কৃষকদের মনে। তবে জেলা প্রশাসন আগেই জানিয়েছিল জল পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না।এবার বোরো চাষের জন্য সেই জল ছাড়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করলো প্রশাসন।

রবি ও বোরোচাষের ডি ভি সি' র জল ছাড়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হল বর্ধমানে। সেই বৈঠকে অংশ নেন পাঁচ জেলার আধিকারিক ও প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা।বর্ধমানের সার্কিট হাউসে এই সভা হয়। পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া,হুগলি ও হাওড়া জেলার প্রশাসনের কর্তারা সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,মোট ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ফিট জল এবার সেচের জন্য পাওয়া সম্ভব। তাতে মোট ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০ একর জমি সেচ সেবিত করা যাবে ।বৈঠকের শেষে পূর্ব বর্ধমানের সভাধিপতি শম্পা ধারা জানান,এ মরশুমে এই জেলায় মোট ৭৮ হাজার একর জমিতে কৃষকরা জল পাবেন। রবি চাষে জল দেওয়া হবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। বোরো চাষের জল মিলবে ২৭ জানুয়ারি থেকে । ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ধাপে ধাপে জল দেওয়া হবে।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক এনাউর রহমান জানান, গতবারের মত একই রকম ভাবে এবারেও জল দেওয়া হবে। জেলা পরিষদের সেচ স্থায়ী সমিতি আলোচনা করে বিস্তারিত সূচি তৈরি করবেন। কোন ব্লকে কবে জল দেওয়া হবে তা কৃষকদের সময়মতো জানিয়ে দেওয়া হবে। সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রবি শস্যের জন্য প্রায় একমাস জল দেওয়া চলবে। প্রতিক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ দিন জল দেবার পর প্রায় ১০ দিনের বিরতি দেওয়া হবে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: December 15, 2020, 1:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर