• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • রাজ্যের শস্য ভান্ডারে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করে উপকৃত হলেন পূর্ব বর্ধমানের কৃষকরা

রাজ্যের শস্য ভান্ডারে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করে উপকৃত হলেন পূর্ব বর্ধমানের কৃষকরা

Representative image

Representative image

জেলার সব ব্লক থেকেই ধান কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন

  • Share this:

#বর্ধমান: লকডাউনের মধ্যেই শুরু হয়েছিল সহায়ক মূল্যে ধান কেনা। তার ফলে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় কাছাকাছি ধান কেনার কাজ সম্পূর্ণ করল পূর্ব বর্ধমান জেলা। আর কয়েক দিনের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সহায়ক মূল্যে ধান কেনার কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য দপ্তর। জেলার সব ব্লক থেকেই ধান কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। লকডাউনের জেরে খোলা বাজারে ধান বিক্রি করতে পারেননি অনেক কৃষক। সরকার সেই সময় সহায়ক মূল্যে ধান কেনার কাজ শুরু করায় চাষিরা উপকৃত হয়েছেন। এই সময় সহায়ক মূল্যে ধান কেনা না হলে চাষির ধান ঘরেই থেকে যেত। অর্থের অভাবে চাষ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াত বলে মনে করছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলাকে রাজ্যে শস্যভান্ডার বলা হয়। এই জেলাতেই সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়। তাছাড়া এই জেলায় উৎপন্ন হওয়া চাল খুবই উৎকৃষ্ট মানের। সরকার সহায়ক মূল্যে ধান কিনে চাল তৈরি করে তা মিড ডে মিল সহ জঙ্গলমহলে দু টাকা কেজি দরে বন্টন করে। পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর জেলায় চাল পাঠায় খাদ্য দপ্তর। পূর্ব বর্ধমান জেলায় অধিক পরিমাণে ভাল মানের চাল তৈরি হওয়ায় সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যাপারে এই জেলাকে বাড়তি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়।

চলতি আর্থিক বছরে গোটা রাজ্যে এবার ৫২ লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে ৬ লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়। পয়লা মে থেকে সেই ধান কেনার কাজ শুরু হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত জেলায় ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৮১ মেট্রিক টন ধান কেনার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে আমন ধান রয়েছে ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৩৪ মেট্রিক টন। আর ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৭৪০ মেট্রিক টন বোরো ধান কেনা হয়েছে।

জেলা খাদ্য দপ্তর জানিয়েছে, অনেক কৃষকের বাড়িতে পুরনো ধান মজুদ ছিল। সে সময় তেমন দাম না ওঠায় কৃষকরা সেই ধান বিক্রি করতে পারেননি। সহায়ক মূল্য এবার নতুন ওঠা বোরো ধানের পাশাপাশি ঘরে মজুত আমন আযউশ ধান কেনা হয়। এর ফলে কৃষকরা খুবই উপকৃত হয়েছেন। কারন, অনেক সময় পুরনো ধান ব্যবসায়ীরা নিতে চান না। সরকার ধান কিনে নেওয়ায় লকডাউন ও তার পরবর্তী সময়ে কৃষকের হাতে অর্থ এসেছে। নাহলে তাদের আরও সমস্যার মধ্যে পড়তে হতো। তবে গলসি এক নম্বর ব্লকের কৃষকরা এলাকাতে সহায়ক মূল্য আরও ধান কেনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, পুরসা এলাকায় সেভাবে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা হয়নি। ফলে সমস্যায় রয়েছেন কৃষকরা। এই এলাকা থেকে বাকি ধান কেনা হলে উপকৃত হবেন বাসিন্দারা।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: