দুপুরে গরম বাড়তে থাকায় আলুর ফলন নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ অংশেই এখন আলু চাষের ভরা মরশুম। কখনও কুয়াশা কখনও বৃষ্টির খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ধসা রোগ দেখা দিয়েছিল অনেক জমিতেই।

পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ অংশেই এখন আলু চাষের ভরা মরশুম। কখনও কুয়াশা কখনও বৃষ্টির খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ধসা রোগ দেখা দিয়েছিল অনেক জমিতেই।

  • Share this:

#কলকাতা: শীত বিদায় নিতে চলায় চিন্তিত আলু চাষিরা। গরমের হাওয়া বইতে শুরু করলে আলু গাছ বাঁচিয়ে রাখা দায় হবে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। শীত যে বিদায় নিতে চলেছে সে কথা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রাতে তবু ঠান্ডা থাকলেও একটু একটু করে বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা বাড়ছে। তাতেই চিন্তিত আলুচাষিরা।

এবার আলু চাষ শুরু হয়েছে অনেক দেরিতে। জ্যোতি আলু মাঠ থেকে উঠতে এখনও এক মাস সময় লাগবে। অর্থাৎ আলু তোলার ভরা মরশুম শুরু হবে মার্চ মাসের মাঝামাঝি নাগাদ। তার আগে এখনই দিনে যথেষ্ট গরম পড়ে যাওয়ায় মুখের হাসি চলে গিয়েছে আলু চাষিদের। ফলন ভালো পেতে এক মাস গাছ কিভাবে টিকিয়ে রাখা যাবে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সকলেই।

পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ দক্ষিণবঙ্গের  বেশিরভাগ অংশেই এখন আলু চাষের ভরা মরশুম। কখনও কুয়াশা কখনও বৃষ্টির খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ধসা রোগ দেখা দিয়েছিল অনেক জমিতেই। কৃষকরা বলছেন, বারে বারে কীটনাশক প্রয়োগ করে বেশিরভাগ গাছে ধসা রোগ আটকানো সম্ভব হয়েছে। গরম আবহাওয়ার মোকাবিলা করাই এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

শীতকালীন আবহাওয়া আলু চাষের পক্ষে অনুকূল। পরিষ্কার আকাশ ও শীত বেশিদিন থাকলে আলুর ফলন বেশ ভালো হয়। অন্যান্য বার শীতের ইনিংস টেনে টুনে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্হায়ী হয়। এর পরই জ্যোতি, চন্দ্রমুখী  আলু তোলার কাজ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। এমনিতেই চাষ দেরিতে হয়েছে তার ওপর শীতের মরশুম শেষ হয়ে যাচ্ছে অনেক আগেই। দুপুরে তাপমাত্রা থাকছে যথেষ্টই। গরমে আলু গাছ ঝিমিয়ে যাচ্ছে। বারে বারে সেচ দিতে হচ্ছে। তাতে খরচও বাড়ছে। তাতেও শেষ পর্যন্ত গাছ বাঁচিয়ে রাখা যাবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ে কৃষকরা। সময়ের আগে আলু তুলে নেওয়া হলে ফলন অনেকটা মার খাবে বলে মনে করছে কৃষি দফতর।

Published by:Pooja Basu
First published: