corona virus btn
corona virus btn
Loading

ধান বিক্রিতে আগ্রহ কম কৃষকদের, চাল পেতে চিন্তায় জেলা প্রশাসন

ধান বিক্রিতে আগ্রহ কম কৃষকদের, চাল পেতে চিন্তায় জেলা প্রশাসন
বর্ধমান

তবুও কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ নেই কেন তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।কৃষকরা অবশ্য জানিয়েছেন, অনেকেই অ্যাপ ব্যবহারের ব্যাপারে সরগর নন। আবার অনেকের অ্যান্ড্রয়েড ফোন নেই।

  • Share this:

রেশনের জন্য চাল প্রয়োজন। সেই চালের জোগান ঠিক রাখতে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কৃষকদের কাছ থেকে তেমন সাড়া মেলেনি। রাজ্যের শস্য ভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমান জেলার সেভাবে কৃষকদের ধান বিক্রি করতে যেতে দেখা যাচ্ছে না।

পয়লা মে থেকে অ্যাপের মাধ্যমে ধান কেনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু এখনও কৃষকদের মধ্যে ধান বিক্রির সেই আগ্রহ দেখা যায়নি। এখন পর্যন্ত  লক্ষ্যমাত্রার খুব কম পরিমাণ ধান কেনা সম্ভব হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে,  এতদিন কৃষকরা সহায়ক মূল্যে সর্বোচ্চ ৪৫ কুইন্টাল করে ধান বিক্রি করতে পারতেন। এবার সেই পরিমাণ বাড়িয়ে ৯০ কুইন্টাল করা হয়েছে।  কিন্তু তবুওে কৃষকদের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়। সবচেয়ে বেশি রাইস মিলও রয়েছে এই জেলাতেই।

তাই সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যাপারে সব সময় বাড়তি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয় পূর্ব বর্ধমান জেলাকে। পয়লা মে থেকে ধান কেনার কাজ শুরু হলেও কৃষকদের মধ্যে তেমন উৎসাহ দেখতে না পাওয়ায় চিন্তিত প্রশাসনিক আধিকারিকরা। শুধু বোরো ধান নয়, আগের আগের মরসুমের মজুত আউশ ও আমন ধানও নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার।

তবুও কৃষকদের  মধ্যে আগ্রহ নেই কেন তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।কৃষকরা অবশ্য জানিয়েছেন, অনেকেই অ্যাপ ব্যবহারের ব্যাপারে সরগর নন। আবার অনেকের অ্যান্ড্রয়েড ফোন নেই। তাই অ্যাপের ব্যবহার থেকে দূরে রয়েছেন অনেকেই। তার ওপর এখন চলছে বোরো ধান তোলার সময়। প্রতিদিনই ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। তা থেকে ফসলকে বাঁচিয়ে তা ঘরে তোলাই এখন লক্ষ্য কৃষকের। ধান কাটা, ঝাড়ার পর তা বস্তাবন্দি করতে পারলে তবেই স্বস্তি। সেসব কাজ গুছিয়ে নেওয়ার পরই তাদের  মধ্যে ধান বিক্রির তাগিদ দেখা দেবে বলেই মনে করছেন কৃষকরা।

অনেক কৃষকই বলছেন, সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হয়েছে এ তথ্য অনেকেরই জানা নেই। আগে রাইস মিলে ধান কেনা হতো। তারপর ধান কেনা হচ্ছিল কিষাণ বাজারগুলিতে। এখন সেখানে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হয়েছে। সেই জায়গার বদলে যে ব্লক অফিসে ধান কেনা হচ্ছে তাও জানেন না অনেক কৃষকই। কৃষকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবকেও ধান বিক্রি কম হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বাসিন্দারা।

Published by: Arindam Gupta
First published: May 16, 2020, 6:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर