দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

নিষেধ সত্ত্বেও জমির খড় জ্বালাচ্ছেন কৃষকরা, মাটি আগুনে পুড়ে হারাচ্ছে উর্বরতা, ছড়াচ্ছে দূষণ

নিষেধ সত্ত্বেও জমির খড় জ্বালাচ্ছেন কৃষকরা, মাটি আগুনে পুড়ে হারাচ্ছে উর্বরতা, ছড়াচ্ছে দূষণ

বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান কাটার পর খড় ও নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ থেকে শুরু করে জমির উর্বরতা ক্ষমতা কমছে বলে দাবি কৃষি আধিকারিকদের।

  • Share this:

Sukanta Chakroborty

#চন্দ্রকোনা: প্রশাসনের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই দেদার চলছে খড় ও নাড়া পোড়ানো । ফলে জমির মাটি  হারাচ্ছে তার উর্বরতা শ,ক্তি ছড়াচ্ছে দূষণ । আলু লাগানোর জন্য জমি থেকে ধান তোলার কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। অধিকাংশ কৃষক চটজলদি মাঠ থেকে ধান তোলার জন্য হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটছেন। আর এতেই ঘনিয়ে আসছে বিপদ!  হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটার পর জমিতে পড়ে থাকছে কাটা খড় । জমি পরিষ্কারের জন্য কৃষকেরা এই কাটা খড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছেন আগুন। ফলে ছড়াচ্ছে দূষণ, সঙ্গে জমির মাটি পুড়ে যাওয়ার ফলে তার উর্বরতা শক্তি হারিয়ে ফেলছে।

ফলাও করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার। এমনকি ফ্লেক্স, ফেস্টুন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কৃষকদের সচেতনতার জন্য প্রচার চালানো হচ্ছে। কিন্তু সেই প্রশাসনের নির্দেশেকে তোয়াক্কা না করেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ ও ২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান কাটার পর খড় ও নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ থেকে শুরু করে জমির উর্বরতা ক্ষমতা কমছে বলে দাবি কৃষি আধিকারিকদের। যদিও এ বিষয়ে অনেক চাষীকে জিজ্ঞাসা করলেই সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁরা পুরো বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।

অনেক কৃষকই দাবি করেছেন, মজুরের অভাব তাই মেশিন দিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে, আর সেই ধান কাটার পরে মাঠ পরিষ্কার করার জন্য মাঠে পড়ে থাকা খড় ও নাড়া আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে হচ্ছে পরবর্তী চাষের জন্য।

চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের কৃষি দফতরের আধিকারিক সঞ্জয় কুমার মন্ডল বললেন, ‘‘বারেবারে প্রচার চালানো হয়েছে । এমনকি এই আইন না মানলে জেল জরিমানা হতে পারে কৃষকদের । তাও ভ্রূক্ষেপ নেই কারও । তাই নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে আগামী দিনে জোরদার সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হবে।’’

Published by: Simli Raha
First published: November 3, 2020, 3:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर