• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • FAMOUS SORBAT SELLER RAMPRASAD FROM BARDHAMAN TOWN MAKING THOUSANDS SATISFIED WITH THEIR SPECIAL SARBAT SDG

পুজোর বাজার-প্রথম প্রেম! দশকের পর দশক ধরে শহরবাসীর তেষ্টা মেটাচ্ছে রামপ্রসাদের সরবত

বর্ধমানে যেমন সীতাভোগ মিহিদানা, কার্জনগেট, রাজবাড়ি, তেমনই বর্ধমানবাসীর সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রামপ্রসাদের সরবতের দোকান।

বর্ধমানে যেমন সীতাভোগ মিহিদানা, কার্জনগেট, রাজবাড়ি, তেমনই বর্ধমানবাসীর সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রামপ্রসাদের সরবতের দোকান।

  • Share this:

#বর্ধমান: পুজোর বাজার কিংবা অন্য ছুতো? বন্ধু চল। ফুটপাথে হঠাৎ দেখা? কিংবা পেছন থেকে ডাক,  কিরে!কেমন আছিস বল? প্রথম প্রেম? সময় কম? এসব ক্ষনিকের অবসরে হাতে উঠে আসে রামপ্রসাদের সরবত। বর্ধমানের কার্জনগেটে। এ শহরে চার থেকে চুরাশি- সবার পরিচিত রামপ্রসাদের লস্যি। বরফ কুচির সঙ্গে দই আর কেশর মেশানো লস্যি। সত্যিই লা জবাব।

বাইরে থেকে আসা অফিস বাবু কিংবা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া- বর্ধমান শহরে রামপ্রসাদের সরবতের দোকান সবাই চেনেন। এই দোকানের লস্যি বা কোল্ড কফিতে চুমুক দেননি বর্ধমান শহরের এমন বাসিন্দা খুঁজে পাওয়া ভার। সপরিবারে পুজোর বাজারের ফাঁকে কিংবা বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দিতে কার্জনগেট চত্ত্বরে গিয়ে রামপ্রসাদের সরবতে চুমুক না দেওয়া মানে সব আনন্দই মাটি।

বর্ধমানে যেমন সীতাভোগ মিহিদানা, কার্জনগেট, রাজবাড়ি, তেমনই বর্ধমানবাসীর সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রামপ্রসাদের সরবতের দোকান। অবস্হানগত কারন এই দোকানের জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র ঐতিহাসিক কার্জনগেট। তার ঠিক নিচে এই দোকান। ফলে দূর দূরান্ত থেকে এ শহরে আসা অনেকেই ক্ষনিকের অবসরে চুমুক দেন রামপ্রসাদের লস্যি বা কোল্ড কফিতে। গ্লাস প্রতি দর দশ টাকা। বসার জায়গা নেই। তাতে কুছ পরোয়া নেহি। লস্যির গ্লাস হাতে রেলিংয়ে ঠেস দিয়ে রাস্তা দেখার মজাই আলাদা। কলেজ পড়ুয়া, পকেটে রেস্ত কম! ডোন্ট ওরি। একটা ভেজ প্যাটিসের পর এক গ্লাস লস্যি। টানা চারঘন্টার জন্য বিন্দাস। নো টেনশন।

সাত দশক আগে রামপ্রসাদ সাউ এই দোকান চালু করেন। তখন ছিল খড়ের চালের দোকান। শুরুর সেই দিন থেকে সবসময় ভিড় লেগেই রয়েছে। শীতকালে চাহিদা বেশি গরম প্যাটিস ও ধোঁয়া ওঠা গরম কফির।   চরম গরমে ফলের রসের সঙ্গে  প্রতিদিন লস্যি বিক্রি হয় পাঁচ হাজার গ্লাসেরও বেশি। দই আর বরফের সঙ্গে চিনি, কেশর, নারকেল, কাজু, পেস্তা মিশিয়ে তৈরি হয় এই লস্যি। আগে কাচের গ্লাসে মিলতো। এখন কাগজের গ্লাস। নো প্লাসটিক। জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় পরিমান কিছুটা কমেছে। তবে স্বাদ রয়েছে একইরকম। বলছেন ক্রেতারা।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: