Home /News /south-bengal /
করোনা আক্রান্ত চার বছরের শিশুও! পূর্বস্হলীতে সংক্রমণ একই পরিবারের ৫ জনের

করোনা আক্রান্ত চার বছরের শিশুও! পূর্বস্হলীতে সংক্রমণ একই পরিবারের ৫ জনের

পরিবারের একজনের মৃত্যুর পরেই তার সংস্পর্শে আসার পুরুষ-মহিলাদের চিহ্নিত করে তাদের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠান হয়েছিল

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে এক শিশু-সহ একই পরিবারের ৫ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বস্থলী এক নম্বর ব্লকের স্টেশন লাগোয়া এলাকায় একটি পরিবারের প্রায় সকল সদস্যই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রথমে ওই পরিবারের এক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হন। কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার সংস্পর্শে আসার কারণেই পরিবারের অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করছে প্রশাসন। স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, ওই পরিবারের একজনের মৃত্যুর পরেই তার সংস্পর্শে আসার পুরুষ-মহিলাদের চিহ্নিত করে তাদের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই পরীক্ষায় ওই পরিবারের ৫ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে চার বছরের এক শিশুও রয়েছে।

সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, অবিলম্বে আক্রান্তদের বাড়ি, তার আশপাশ-সহ বেশিরভাগ এলাকা স্যানিটাইজ করা প্রয়োজন। নচেৎ এলাকায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই তারা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এ ব্যাপারে আবেদন জানিয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই করোনা আক্রান্তদের বাড়ি স্যানিটাইজ করার ক্ষেত্রে প্রশাসনে যথেষ্ট গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্ধমানের এক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়ে করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পরও তার বাড়ি স্যানিটাইজ করা হয়নি বলে ওই ব্যক্তি অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, পুরসভা, স্বাস্থ্য দপ্তর, প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে বারবার জানানো হলেও কেউ বাড়ি বা আমার ঘরটুকুও স্যানিটাইজ করার কোনও উদ্যোগ নেয়নি।

বর্ধমান পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে নিয়মিত সব এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কন্টেইনমেন্ট জোন ও তার আশপাশ এলাকায় জীবানুনাশক ছড়ানো হচ্ছে। এছাড়াও দমকল দফতরের কর্মীরা নিয়মিত হাসপাতাল, সরকারি অফিস সহ বিভিন্ন এলাকা জীবাণুমুক্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। পুরসভার কর্মী সংখ্যা সীমিত। আক্রান্তের সংখ্যা এত বাড়ছে যে তার সঙ্গে তাল রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে স্বীকার করছেন পুরকর্মীদের অনেকেই।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

Tags: Coronavirus, COVID-19, Puba bardhaman

পরবর্তী খবর