Home /News /south-bengal /

Police: নদিয়ায় পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু, অত্যাচারের ফলে প্রাণহানীর অভিযোগ পরিবারের

Police: নদিয়ায় পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু, অত্যাচারের ফলে প্রাণহানীর অভিযোগ পরিবারের

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Prisoner died: অভিযোগ, হাসপাতালে ভীমপুর থানার পুলিশ দেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

  • Share this:

#নদিয়া: আবারও পুলিশের লক-আপে আসামীর মৃত্যুর অভিযোগ। এ বার অভিযোগ নদিয়ার (Nadia) ভীমপুরে। গত কাল, অর্থাৎ শনিবার নদিয়ার ভীমপুর (Bhimpur)  থানার লক-আপে মৃত্যু হয় আব্দুল গনি শেখ নামে এক অভিযুক্তের। মৃত আবদুল গনি শেখ ওরফে সামাদ শেখের স্ত্রী জহিরুল বিবি অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামীকে ভীমপুর থানার পুলিশ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

জহিরুল বিবি এও বলেন, 'গতকাল গনি বাড়ি থেকে কালিগঞ্জ বাজারের সকাল ন'টায় বেরিয়ে ছিলেন। পেশায় রাজমিস্ত্রি জোগাড়ের কাজ করেন তিনি। বেলা তিনটের সময় বাড়ি ফেরার কথা ছিল।' ভোর চারটের সময় জহিরুলের কাছে গনির মৃত্যুর খবর যায়। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গতকাল নদিয়া জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ জাল নোট-সহ চার জন আসামীকে ধরে। তার মধ্যে দু'জনকে ভীমপুর থানাতে হস্তান্তর করে। আর দুজনকে বর্ধমানে পাঠায়। ভীমপুর থানার ওসি তমাল কান্তি সরকার জানান,  এসওজির অভিযোগ অনুযায়ী থানা একটি মামলা শুরু করেছে। গনিকে কালকে থানায় আনার পর গনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।তার পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন: সংসদের ৬৩ নম্বর ঘরে থাকবে নজর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পেপ-টক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

অভিযোগ, হাসপাতালে ভীমপুর থানার পুলিশ দেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ ক্ষন দেহ পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি থানাকে খবর দেয়।কোতোয়ালি থানা এসে দেহ উদ্ধার করে জানতে পারে , ওটি ভীমপুর থানার আসামীর দেহ। প্রশ্ন ওঠে, হেফাজতের আসামী থানায় কী ভাবে মারা যান? গনির পরিবারের লোকজন থানায় পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ করছেন।

আরও পড়ুন: জাদুঘরে CPIM! 'ডিপফ্রিজের' পর নতুন আক্রমণে তৃণমূল, 'আসল' লক্ষ্য নিয়ে জল্পনা

যদিও ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট ও পদস্থ পুলিশ কর্তারা গনির দেহে কোন আঘাতের চিহ্ন পাননি বলে দাবী। অভিযোগ, হেফাজতে নেওয়ার আগে গণির কোনও ডাক্তারি পরীক্ষা কেন করেনি পুলিশ? পুলিশ সূত্রে খবর,গনির কাছ থেকে ২৬ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট পাওয়া গিয়েছিল। সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত করছেন জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অ্যাডিশনাল এসপি হেডকোয়ার্টার বিষয়টির তদন্ত করছেন। তবে হেফাজতে নিয়ে থানা তাঁকে কতটা নির্যাতন করেছিল? সেটা এখনও পুলিশি তদন্তে উঠে আসেনি। তবে পুলিশের মারে খুনের অভিযোগ ওর স্ত্রীর।

Shanku Santra

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: West bengal Police

পরবর্তী খবর