corona virus btn
corona virus btn
Loading

মোহর ভরা কলসীর গল্প ফেঁদে নকল কয়েক বিক্রির চক্র, সতর্ক করল পুলিশ

মোহর ভরা কলসীর গল্প ফেঁদে নকল কয়েক বিক্রির চক্র, সতর্ক করল পুলিশ
  • Share this:

সুপ্রতীম দাস

#বীরভূম: নকল সোনার কয়েন বিক্রি চক্রের সঙ্গে যুক্ত প্রতারকদের ছবি প্রকাশ বীরভূম জেলা পুলিশের। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে মূলত কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জায়গার বাসিন্দারা এদের মূল টার্গেট। পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, পাশের ঝাড়খন্ড ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গার প্রায় ১০০ জন এই প্রতারণা চক্রের পাল্লায় পড়ে প্রচুর টাকা খুইয়েছেন। পুলিশ সূত্র জানা গিয়েছে, এই প্রতারকদের জাল দেশ জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ৷ কোন ব্যাক্তিকে টার্গেট করা হবে, তাঁর তথ্য দেওয়ার লোকও ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন জায়গায়। টার্গেট ব্যাক্তির মোবাইলে ফোন যায়, বলা হয় বাড়ি তৈরীর সময় কলসি ভর্তি মোহর পাওয়া গিয়েছে, কোনও ব্যাক্তির কাছে সোনার কয়েন বিক্রি করা হবে বলেও ফোন যায়। কোনও সময় প্রতারক লোকেরা লোকাল ট্রেনে বা বাসে মাটি খুঁড়তে গিয়ে কয়েন পাওয়ার গল্প জুড়ে বসে। সেই সব ক্ষেত্রে মানুষ নিজেই এদের জালে পা দেয়। এরপর টার্গেট ব্যাক্তির বাড়ির কাছে ওই প্রতারকের লোক সোনার কয়েন নিয়ে আসে এবং টার্গেট ব্যাক্তিকে বলা হয় যে কোনও সোনার দোকানে নিয়ে গিয়ে কয়েন বা মোহর পরীক্ষা করে নেওয়ার জন্য ৷ কয়েন পরীক্ষার পর টার্গেট ব্যাক্তির মনে আরও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস জন্মানোর জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে নকল কয়েন কিনে মানুষকে ঠকানোর প্রতারনা চক্রের গল্প শোনানো হয়।

goldএরপর যখন প্রতারকরা ঝুঝে যায় টার্গেট জালে পা দিয়ে দিয়েছে, তাঁকে মোবাইলে কয়েন ভর্তি কলসির ছবি দেখানো হয় এবং ঢেকে পাঠানো হয় নিজেদের ডেরায় ৷ ব্যাস এরপরই সমস্ত টাকা লুঠ করা হয় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ৷ টার্গেট সঙ্গে কাউকে নিয়ে এলে তাঁকেও প্রাণের ভয় দেখিয়ে আটক করে রেখে অন্য কাউকে দিয়ে এটিএম দিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়। মূলত বীরভূমের বোলপুর, সাঁইথিয়া, আহমদপুরের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে এই প্রতারণা চক্র সক্রিয় রয়েছে। তবে বেশকিছু জায়গায় টার্গেট ব্যাক্তির বুদ্ধিতে হাতেনাতে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে কয়েকজন প্রতারক। বীরভূম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ১০০ জন দুষ্কতী এই দলে রয়েছে ৷ যার মধ্যে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের ছবি প্রকাশ করে মানুষকে সচেতন করতে চাইছে পুলিশ। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে এগোতে চাইছে পুলিশ। আবেদন করা হচ্ছে, যেন এই ধরনের ফোন পেলেই নিকটবর্তী থানায় যোগাযোগ করা হয়।

gold1

ঠিক এই ভাবেই প্রতারণার জালে পড়েছিলেন কলকাতার উপেন ব্যানার্জী স্ট্রিটের বাসিন্দা দেবাশিষ চক্রবর্তী ৷ তাঁকেও ঢেকে পাঠানো হয়েছিল বোলপুরে ৷ তাঁকে সোনার কয়েন বিক্রি করা হয়েছিল ১০ লক্ষ টাকায় ৷ পরে তিনি জানতে পারেন সেটি নকল। বীরভূম পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান তিনি ৷ তদন্তে নেমে পুলিশ মহারাষ্ট্রের পেন সিটি থেকে সেখ আজাদকে গ্রেফতার করে ৷ যার বাড়ি বোলপুরে। পুলিশের তদন্ত চলছে, কাজ করছে স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ, এই প্রতারকদের ধরতে জাল ফেলেছে পুলিশও।

Published by: Simli Raha
First published: November 28, 2019, 1:00 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर