Fake CID : দেবাঞ্জনের কায়দায় জালিয়াতির অভিযোগ! 'CID পরিচয়ে' লক্ষ লক্ষ টাকা 'আত্মসাৎ' মহিলার

ফের জালিয়াতির অভিযোগ Photo : Collected

ভুয়ো 'আই এ এসের' (Fake IAS) পরে এবার অভিযোগ উঠল ভুয়ো 'সিআইডির' (Fake CID)। কৃষ্ণনগরে সিআইডির DSP পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে (Fraud Allegation)।

  • Share this:

    #কৃষ্ণনগর : ইনিও একাধারে 'সমাজসেবী' (Social Worker) ও 'পদস্থ সরকারি আধিকারিক' (High Profile Officer)। ভুয়ো 'আই এ এসের' (Fake IAS) পরে এবার অভিযোগ উঠল ভুয়ো 'সিআইডির' (Fake CID)। কৃষ্ণনগরে সিআইডির DSP পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে (Fraud Allegation)। ইতিমধ্যেই ওই মহিলার নামে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নাম করে বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে তিনি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, এর পিছনে রাজনৈতিক ইন্ধন আছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে নদিয়ার জেলা সদর কৃষ্ণনগরে দেখা দিয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই মহিলার নাম রাধারানী বিশ্বাস। তাঁর বাড়ি কৃষ্ণনগর পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁঠালপোতার জে কে সাহা লেন এলাকায়। অভিযোগ, সমাজকর্মী হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন এই মহিলা। তাছাড়া ভবানীপুরের সিআইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মানুষের কাছে ক্ষমতাও দেখাতেন পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাধারানী বিশ্বাস। ওই এলাকার বাসিন্দা মুনমুন খাতুন নামে এক মহিলা পুলিশে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, রাধারানি বিশ্বাস নিজেকে সমাজসেবী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা আছে বলেও দাবি করেন। এমনকি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে রাধারানি তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মুনমুন খাতুন। যদিও সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি।

    'সমাজসেবী' রাধারানী Photo : Collected 'সমাজসেবী' রাধারানী
    Photo : Collected

    তবে গৌরব চট্টোপাধ্যায় নামে একজনের অভিযোগ, করোনা কালে বহু মানুষকে খাবারের সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছিলেন রাধারানি বিশ্বাস। নিজেকে সিআইডির ডিএসপি বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন। গৌরবের কথায়, “আমাকেও স্বাস্থ্য দপ্তরে চাকরি দেওয়ার নাম করে তিনি ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারিত করেছেন। বগুলা হাসপাতালে মেডিক্যাল করিয়ে আমাকে নিয়োগপত্র পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। যদিও পরে জানতে পারি ওনার ই-মেল আইডি এবং নিয়োগপত্র সবটাই ভুয়ো। আমি জানতে পেরেছি, উনি বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে এইভাবে টাকা-পয়সা নিয়ে প্রতারণা করেছেন। আমিও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।”

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন স্থানীয় কাউন্সিলর অর্পিতা চক্রবর্তীর স্বামী বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর অভিযোগ, “আমাদের দলের বড় বড় নেতার সঙ্গে রাধারানি বিশ্বাসের পরিচয় রয়েছে। প্রচুর মানুষকে উনি সাহায্য করেছেন। উনি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন। তবে উনি একটি বিশাল নতুন বাড়ি করছেন। আমার কাছে খবর রয়েছে, ইতিমধ্যে উনি ১৭ জনকে প্রতারণা করেছেন। ওনার ব্যবহৃত ই-মেল আইডি এবং নিয়োগপত্র্র সবটাই ভুয়ো।”

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: