corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমানে উইকেট দিয়ে মেরে ছাত্রের মুখ ভেঙে দিলেন শিক্ষক!

বর্ধমানে উইকেট দিয়ে মেরে ছাত্রের মুখ ভেঙে দিলেন শিক্ষক!
এই সেই ছাত্র

খণ্ডঘোষ থানার চাগ্রামের হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় এখন ভর্তি বর্ধমান মেডিকেলে। স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক তাকে নির্মম ভাবে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ।

  • Share this:

#বর্ধমান: সহপাঠীর পড়ে থাকা ব্যাগ তুলতে বলেছিলেন শিক্ষক। সেই নির্দেশ পালন করতে সামান্য দেরি করেছিল পড়ুয়াটি। তার জেরে উইকেট দিয়ে পিটিয়ে মুখ ভেঙে দিলেন শিক্ষক! এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে।

খণ্ডঘোষ থানার চাগ্রামের হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় এখন ভর্তি বর্ধমান মেডিকেলে।  স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক তাকে নির্মম ভাবে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ। ওই ছাত্রের বাবা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে খণ্ডঘোষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা শিক্ষা দফতর। ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন ওই শিক্ষক। শাসন করার নামে এমন শারীরিক নির্যাতনে অবাক অন্যান্য শিক্ষকরাও।

ওই শিক্ষক এর আগেও ছাত্রছাত্রীদের পিটিয়ে শাস্তি ভোগ করেছেন বলে স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর মারে এর আগে এক ছাত্রকে ১৫ দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছিল। এক ছাত্রীকে চড় মেরে অজ্ঞান করে দিয়েছিলেন তিনি।  মারধরের জেরে তাঁকে সাসপেন্ডও হতে হয়। তারপরেও তাঁর বোধদয় হয়নি বলে অভিযোগ।

ঠিক কি ঘটেছিল? সৌভিকের বক্তব্য, 'সায়ন্তন নামে এক সহপাঠীর  ব্যাগ পড়ে গিয়েছিল।  স্যার ব্যাগটা তুলতে বলেন।  স্যারকে জানাই, ব্যাগটা আমার নয়। এরপরেই উনি চড় থাপ্পর মারতে শুরু করেন।  ক্লাস থেকে বের করে কান ধরে রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেন। আমি তাই করি। একজন আমাকে এসে বলে দিদিমণি ডাকছে। সেই শুনে আমি স্টাফ রুমে যাই। তা দেখেই উনি  উইকেট দিয়ে পেটে, পায়ে মুখে মারেন।  অন্যান্য স্যার দিদিমণিরা এসে আমাকে উদ্ধার করে।'

 সৌভিকের বাবা প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় টোটো চালক। তিনি বলেন, 'আমরা গরিব মানুষ। গরু ছাগলকেও কেউ এভাবে মারে না। যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছে ছেলেটা। ডাক্তার দেখালাম। অতিরিক্ত জেলাশাসকের কাছেও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। স্কুল কর্তৃপক্ষ বাড়িতে এসে খোঁজও নেয়নি।'

শিক্ষার দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলাশাসক হুমায়ুন বিশ্বাস বলেন, 'একজন শিক্ষকের কাছে এই আচরণ কাম্য নয়। বিষয়টি দেখা হচ্ছে।'

Published by: Arindam Gupta
First published: March 4, 2020, 6:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर