corona virus btn
corona virus btn
Loading

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জল বাড়ছে বীরভূমের বিভিন্ন নদীতে ! চিন্তায় প্রশাসন !

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জল বাড়ছে বীরভূমের বিভিন্ন নদীতে ! চিন্তায় প্রশাসন !

এদিকে ময়ূরাক্ষী নদীতে জল বাড়ায় সাঁইথিয়ার ফেরিঘাট ভেঙে গিয়েছে। ফেরিঘাটের ওপর দিয়ে বইছে নদীর জল।

  • Share this:

#বীরভূম: অত্যাধিক বৃষ্টিতে জল বেড়েছে বীরভূমের বিভিন্ন নদীতে। সিউড়ির তিলপাড়া জলাধার থেকে কিছুটা জল ছায়া হয়েছে ময়ূরাক্ষী নদীর ডাউনে। এদিকে ময়ূরাক্ষী নদীতে জল বাড়ায় সাঁইথিয়ার ফেরিঘাট ভেঙে গিয়েছে। ফেরিঘাটের ওপর দিয়ে বইছে নদীর জল। জল ছাড়া হচ্ছে বক্রেশ্বর থার্মাল পাওয়ার ড্যাম থেকেও। জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা জানিয়েছেন সমস্ত নদীর দিকেই নজর রাখা হচ্ছে। ময়ূরাক্ষী নদীর উপর ঝাড়খণ্ডের ম্যাসাঞ্জোরে রয়েছে জলাধার। ঝাড়খন্ডের ম্যাসাঞ্জোর থেকে ময়ূরাক্ষী নদী প্রবাহিত হয়ে এসেছে সিউড়ি তিলপাড়া জলাধার পর্যন্ত। তার মাঝখানে ঝাড়খণ্ডের সিদ্ধেশ্বরী নদী মিশেছে ময়ূরাক্ষী নদীতে। বৃষ্টির ফলে জল বেড়েছে সিদ্ধেশ্বরী নদীতে আর সেই জল প্রবাহিত হচ্ছে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর দিয়ে। ফলে চাপ বেড়েছে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর সিউড়ি তিলপাড়া জলাধারে। তাই জল কিছুটা ছাড়তেই ভেসেছে সাঁইথিয়ার ফেরিঘাট।

অন্যদিকে বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নীল নির্জনে থেকে জল ছাড়া হয়েছে নদীতে।  বীরভূমের জেলা শাসক জানিয়েছেন, " অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বীরভূম জেলা প্রশাসন থেকে বিরভূমের সমস্ত নদীর জলের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।"  মহম্মদ বাজারের কুলে নদীতে জল বেড়ে যাওয়ায় ডুবে গেছে আঙ্গারগড়িয়া থেকে সোঁতসাল যাওয়ার রাস্তার মধ্যে থাকা সেতু।  যার ফলে সমস্যায় পড়তে হয়েছে সেকেড্ডা, দীঘলগ্রাম, রাওতারা, রানীপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষদের। এই রাস্তা দিয়েই এই সমস্ত এলাকার মানুষকে ব্লকে আসতে হয়। নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসীকে ঝুঁকি নিয়ে জলের মধ্যে দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। মহম্মদ বাজারের গিরিপুর গ্রামে গতকাল দুপুরে বৃষ্টির ফলে আচমকা ভেঙ্গে পড়ে একটি বাড়ি। সেই সময় বাড়ির বারান্দায় বসে ভাত খাচ্ছিলেন বাড়ির মালিক শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবার। হঠাৎ বিকট আওয়াজ হয় ও পুরো বাড়ি ভেঙে পড়ে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো পরিবার। পরিবার জানায়, পরনের জামা কাপড় থেকে শুরু করে চালডাল এমনকি টাকা-পয়সা সমস্তই মাটি চাপা পড়ে গেছে। সময় মত সকলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ায় কোন রকমে প্রাণে বেঁচে গেছেন সকলেই । তা না হলে ঘটে যেতে পারত বড় দুর্ঘটনা। তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত গোয়াল ঘরে দিন কাটাচ্ছে ওই পরিবারটি। বৃষ্টিতে প্রায় তছনছ অবস্থা বীরভূমের। তবে প্রশাসন সব রকম চেষ্টা করছে। জল বিপদ সীমার ওপরে যাতে না যায় সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

SUPRATIM DAS 

Published by: Piya Banerjee
First published: July 22, 2020, 7:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर