• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • খুশির ইদের আগে গ্রামে গ্রামে যেন শোকের ছায়া, শেষ মুহূর্তে জমল না বাজার

খুশির ইদের আগে গ্রামে গ্রামে যেন শোকের ছায়া, শেষ মুহূর্তে জমল না বাজার

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমনিতেই চৈত্র সেলের বাজার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। লকডাউনের জেরে বন্ধ ছিল বিয়ের মরসুমের কেনাকাটাও। ইদের বাজারেও বিক্রিবাটা হল না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমনিতেই চৈত্র সেলের বাজার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। লকডাউনের জেরে বন্ধ ছিল বিয়ের মরসুমের কেনাকাটাও। ইদের বাজারেও বিক্রিবাটা হল না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমনিতেই চৈত্র সেলের বাজার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। লকডাউনের জেরে বন্ধ ছিল বিয়ের মরসুমের কেনাকাটাও। ইদের বাজারেও বিক্রিবাটা হল না।

  • Share this:

#বর্ধমান: ইদের বাজারের কথা ভেবে দোকান খুলেছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু বর্ধমানের বি সি রোডে ক্রেতার অভাবে জমল না শেষ মুহূর্তের ইদের বাজারও। সারাদিন ক্রেতাদের আশায় বসে থেকেই দিন কাটালেন ব্যবসায়ীদের অনেকেই। কারও বিক্রি হল দু'একটি পোশাক কারও আবার তাও নয়। লকডাউন বেশ কিছুটা শিথিল হলেও বাস চলাচল শুরু হয়নি। তাই আসতে পারেননি শহরের বাইরের ক্রেতারা। শহরের ভিতরের বাসিন্দাদেরও তেমন একটা দেখা নাই। সব মিলিয়ে প্রায় শুনশানই থাকল বর্ধমানের ইদের বাজার।

অন্যান্য বছর ইদের আগে বর্ধমানের বি সি রোডে পা রাখাই দায় হয়ে ওঠে। রানিগঞ্জ বাজার মোড় থেকে শুরু করে বি সি রোডের অনেক জায়গাতেই দোকান নেমে আসে রাস্তায়। বিশাল বিশাল লাচ্চা সিমুইয়ে বস্তা দাঁড় করানো থাকে। ক্রেতারা কেজি দরে কিনে নিয়ে যান সেসব। অন্যদিকে চলে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা। পোশাক থেকে শুরু করে জুতোর দোকানের সবই থাকে ভিড়ে ঠাসা। এবার লকডাউনের জেরে সেই দৃশ্য উধাও। ফাঁকা বি সি রোড। এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু দোকান খুলেছে। তবে ভিড় নেই কোনোটাতেই। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ততাও নেই।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমনিতেই চৈত্র সেলের বাজার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। লকডাউনের জেরে বন্ধ ছিল বিয়ের মরসুমের কেনাকাটাও। ইদের বাজারেও বিক্রিবাটা হল না। অথচ সেসবের কথা মাথায় রেখেই কোটি কোটি টাকার পোশাক মজুদ করা হয়েছিল। পুজোর বাজার জমবে বলেও মনে হচ্ছে না। জেলার বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, বোরো ধান মাঠ থেকে তুলে অনেকেই ইদের বাজার করতে আসেন। কিন্তু এবার আমফান সব শেষ করে দিয়েছে। খুশির ইদের আগে গ্রামে গ্রামে শোকের ছায়া। অনেকেই ধান নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমনিতেই করোনা লকডাউনে মানুষ বিপর্যস্ত। তার ওপর এই আমফান। অনেকেরই এই ক্ষতি সামাল দিতে দীর্ঘ সময় লাগবে। তাদের এখন ঘটা করে ইদ পালনের কোনও মানসিকতাই নেই।

শহরের বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, করোনার সংক্রমণ রুখতে এবার একসঙ্গে নামাজ পড়া যাবে না। তাই অনেকেই সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি কেনার ইচ্ছে হারিয়েছেন। করোনা লকডাউন এবং আমফানের জেরে বিপর্যস্ত অনেক পরিবারই । এবার আর আগের মত ইদ পালনেরও মানসিকতা নেই অনেকের বাড়িতেই। নিকটাত্মীয়রাও আসবেন না অনেকেরই। সবমিলিয়ে মিলিয়ে এবার ইদ পালন হবে একেবারে দায়সারাভাবে।

Published by:Pooja Basu
First published: