corona virus btn
corona virus btn
Loading

#EgiyeBangla: টুঙ্গি সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে সুদিন ফিরে পেয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা ও কৃষকরা

#EgiyeBangla: টুঙ্গি সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে সুদিন ফিরে পেয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা ও কৃষকরা
নিজস্ব চিত্র
  • Share this:

#মুর্শিদাবাদ: গ্রামীণ অর্থনীতির প্রসারে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। সেই কারণেই সমবায় ব্যাঙ্কগুলির উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে কম সুদে ঋণ পাওয়ায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা, কৃষক ও গ্রামের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের নওদার টুঙ্গিতে সমবায় সমিতির ব্যাঙ্কের একটি শাখা চালু হল।

ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন জেলার সমবায় সমিতিগুলি কাজ করছে। সমবায় সমিতির ব্যাঙ্ক থেকে অল্প সুদেই ঋণ পাওয়ার সুযোগ পান গ্রামের মানুষ। স্বনির্ভর হওয়ার জন্য সমবায় সমিতি থেকে গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের এরপর কাঁচামাল কেনা বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিভিন্ন খরচের জন্য ঋণ দেয় সমবায় ব্যাঙ্কগুলি। কৃষকরাও কীটনাশক, সার বা যন্ত্রপাতি কেনার জন্য অল্প সুদে ঋণ পান সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে। এছাড়াও, কেউ ব্যবসা শুরু করতে চাইলেও পাশে দাঁড়ায় সমবায় ব্যাঙ্কগুলি। সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে বিভিন্ন স্কিমের মাধ্যমে স্বনির্ভর দল বা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের নওদার টুঙ্গি সমবায় ব্যাঙ্কের শাখা পথচলা শুরু করেছে। পাটিকাবাড়িতে এই সমবায় ব্যাঙ্কের শাখার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী অরূপ রায়। এছাড়াও জেলাপরিষদ ও কৃষি-সেচ ও সমবায় দফতরের বিভিন্ন আধিকারিকরাও ছিলেন।

টুঙ্গি সমবায় ব্যাঙ্কের পাটিকাবাড়িতে শাখা খোলায় খুশি গোষ্ঠীর মহিলারা। বাড়ির কাছেই ব্যাঙ্ক থাকায় যাতায়াতেও সুবিধা। কম সুদে ঋণ নিয়ে তাঁরা ব্যবসা শুরু করেছেন। হচ্ছেন স্বনির্ভর।

সরকারি পরিসংখ্যান বলছে,

২০১০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ১২৯ কোটি টাকা ঋণ েদওয়া হয়েছে । সেখানে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ঋণ দেওয়া হয়েছে ৬১২ কোটি টাকা।

২০১০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে রাজ্যে মোট কৃষি ঋণ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা। সেখানে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে রাজ্যে মোট কৃষি ঋণ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৫ কোিট টাকা।

তাই সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা ও কৃষকরা যে সুদিন ফিরে পেয়েছেন, সে কথা বলাই যায়।

First published: February 8, 2019, 12:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर