• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে থমকে ইসিএল-এর খোট্টাডিহি কোলিয়ারির ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে থমকে ইসিএল-এর খোট্টাডিহি কোলিয়ারির ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প

representative image

representative image

সংস্থার আধিকারিকদের আশঙ্কা অন্তত দু'মাস পিছিয়ে গেল প্রকল্প রূপায়ণের কাজ

  • Share this:

    #দুর্গাপুর : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ধাক্কায় বিলম্বিত কয়লা অঞ্চলের মাটির তলার একটি মহার্ঘ্য প্রকল্প, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেডের (ECL) প্রায় ১৫০ কোটি টাকার নতুন প্রযুক্তি। সংস্থার আধিকারিকদের আশঙ্কা অন্তত দু'মাস পিছিয়ে গেল প্রকল্প রূপায়ণের কাজ ।

    ইসিএল- এর পান্ডবেশ্বর অঞ্চলের খোট্টাডিহি কোলিয়ারির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নতুন প্রযুক্তির ওপর জোর দেয় কোল ইন্ডিয়া। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে খনিতে “কন্টিনিউয়াস মাইনার” নামে স্বয়ংসক্রিয় যন্ত্র বসানোর জন্য চিনের একটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে ইসিএল। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে চিনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয় রাজ্যেরই একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে । ' কোল মাইনার অ্যাসোসিয়েটেড ট্রেডার্স' (CMAT) নামের একটি দেশীয় সংস্থা সর্বনিম্ন দরে 'কন্টিনিউয়াস মাইনার' যন্ত্র সরবরাহ করার চুক্তি করে ২০১৭ সালের ২৬ এপ্রিল । গোটা প্রক্রিয়াটিতে যন্ত্র বসানোর কাজ ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে শুরু হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। এই যন্ত্রের সাহায্যে ইসিএল-এর খোট্টাডিহি খনিটিতে বছরে ৬ লক্ষ টন কয়লা উৎপাদনের কথা।

    CMAT-এর কর্ণধার সন্দীপ দে জানান, ' অনেক টানাপোড়েনের পর চলতি মাসে চিনের সংস্থাটি কন্টিনিউয়াস মাইনার যন্ত্রগুলি সমুদ্রপথে ভারতে পাঠানোর জন্য জাহাজে চাপায়। সমস্ত মেশিনই জাহাজে চেপে গিয়েছে । কলকাতা বন্দরে পৌঁছেও যাবে কিছুদিনের ভিতর। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে অন্তত দু'মাস খোট্টাডিহি প্রকল্পে যন্ত্র বসানোর কাজ শুরু করা যাবে না।' যন্ত্র বসানোয় প্রশিক্ষিত চিনা বিশেষজ্ঞরা এখন দেশে ছাড়ার অনুমতিই পাবেন না। খোট্টাডিহি খনির বর্তমান দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৫০ টন। খনির মহাপ্রবন্ধক সুভাস মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ' উৎপাদন বাড়াতে কন্টিনিউয়াস মাইনার যন্ত্র বসবে। কিন্তু সেই কাজ করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে ফের পিছিয়ে গেল।' তিনি আরও জানান, ' যন্ত্র জাহাজে চাপলেও এখনও চিনের বন্দর ছাড়েনি। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমস্ত যন্ত্রাংশ এসে যাওয়ার কথা ছিল। আর তা না পৌঁছানোয় আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ইসিএল-এর।'

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: